ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০১৯-১১-০৮
  • ৩০৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সম্প্রীতির বন্ধন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সারা বিশ্বে সম্প্রীতির বন্ধন ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘সিলেটে ধর্মীয় সম্প্রীতি ঐতিহ্য শত শত বছরের। এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও রয়েছে।’
তিনি আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ‘সিলেটে রবীন্দ্রনাথ : শতবর্ষ স্মরণোৎসব’ এর সমাপনীতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক, সাবেক মন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মোমেন আরও বলেন, ‘সিলেটে প্রায় তিন বছর আগে বেঙ্গল উৎসব হয়েছিল। এবার রবীন্দ্রনাথ স্মরণোৎসব হলো, যা সিলেটের সর্ববৃহৎ উৎসব। সিলেট সব সময়ই আলাদা।’তিনি বলেন, ‘শতবর্ষ পূর্বে রবীন্দ্রনাথ যখন সিলেটে আসেন, তখন তাকে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান সবাই স্বাগত জানায়। এর মাধ্যমে একটি কথা পরিষ্কার হয়, বরীন্দ্রনাথ ছিলেন সকল ধর্মের মানুষের প্রিয় কবি, বাঙালির কবি। শতবর্ষ পরেও আবার হিন্দু, মুসলিম সবাই একাত্ম হয়ে রবীন্দ্র স্মরণোৎসব উদযাপন করেছেন।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারা বিশে^ যুদ্ধ, হানাহানি লেগেই আছে। আমরা চাই, বিশে^র প্রতিটি রাষ্ট্রে, প্রতিটি অঞ্চলে শান্তি স্থাপিত হোক। এসব হানাহানি, ভেদাভেদ প্রশমনে বাংলাদেশ হতে পারে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির রোল মডেল।উৎসবের শেষ দিনের এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সিলেটের সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী।বিকেল ৪টায় জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় রবীন্দ্র স্মরণোৎসবের শেষ দিনের অনুষ্ঠান। একক ও সম্মিলিত আবৃত্তি, নৃত্য, সঙ্গীত ও আলোচনা ছিল শেষ দিনের অনুষ্ঠান সূচিতে।সঙ্গীত পরিবেশন করেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, লাইসা আহমেদ লিসা, অনুপম কুমার পাল, অসীম দত্ত, ভারতের পদ্মশ্রী পূর্ণদাস বাউল, অগ্নিভ বন্দোপ্যাধ্যায় প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat