ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২০-০১-০৮
  • ৩৩৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সীমান্তে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে মিয়ানমার ও বাংলাদেশ একমত

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে সন্ত্রাসী কার্যক্রম, মানব ও ইয়াবা পাচার বন্ধে মিয়ানমার ও বাংলাদেশ ঐক্যমতে পৌঁছেছে।
আজ পিলখানা বিজিবি সদর দফতরে বিজিবি ও মিয়ানমার পুলিশ ফোর্স (এমপিএফ) এর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সীমান্ত সম্মেলন শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিজিবি ডিজি একথা বলেন।মিয়ানমারের সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশের ভূখন্ড ব্যবহার করে ওই দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে মিয়ানমার পুলিশ প্রধানের এমন অভিযোগের জবাবে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী কোন গোষ্ঠীর অস্তিত্ব নেই এবং বাংলাদেশের ভূমি কোন অপরাধী অথবা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হয় না। এরপরও সীমান্তে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ক্যাম্প বা আস্তানা থাকার তথ্য পাওয়া গেলে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছে।
বিজিবি মহাপরিচালক বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় মিয়ানমার অভ্যন্তরে ইয়াবার কারখানা পরিচালনা এবং ইয়াবা পাচারের বিষয়টি সম্মেলনে উত্থাপন করেন। এমপিএফ প্রধান জানান, এ ধরনের তথ্য আমাদের জানানো হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য চোরাচালান প্রতিরোধে গৃহীত পদক্ষেপগুলো আরও জোরদার করতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চলে একযোগে সমন্বিত টহল জোরদার করতে উভয় দেশ সম্মত হয়। উভয় বাহিনীর যৌথ টহলের ফলে বিগত একবছরে ইয়াবা পাচার অনেকটা কমে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।বিজিবি’র মহাপরিচালক মানব পাচার, অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম ও মাদক পাচার বন্ধে বিভিন্ন পর্যায়ে বিশেষত বিওপি বা ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রতিনিয়ত যোগাযোগের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন।চীফ অব পুলিশ জেনারেল স্টাফ, এমপিএফ পুলিশ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ো থান অবৈধ মাদক পাচার ও মাদক ব্যবসা প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তার পুনরাবৃত্তি করে বলেন, মাদক ব্যবসা তাদের সমাজেও একই প্রভাব ফেলেছে। তিনি মাদক পাচাররোধে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সীমান্ত এলাকায় মাদক ও নেশা জাতীয় দ্রব্য বিশেষত ইয়াবা পাচার রোধে বাংলাদেশ ‘‘জিরো টলারেন্স’’ নীতি বজায় রাখবে এবং মিয়ানমার পক্ষ তার জাতীয় মাদক নিয়ন্ত্রণ নীতি অনুযায়ী মাদক বিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।উভয় পক্ষই একে অপরের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া সীমানা রেখার উভয় পার্শ্বে ৫০ মিটার এর মধ্যে যে কোন ধরণের সীমানা লঙ্ঘন না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
উভয় পক্ষই সীমান্তে গোলাগুলি বা গুলি চালানোর ঘটনা (যদি থাকে) তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একে অপরকে জানাতে সম্মত হয়েছে।উভয় পক্ষ নিজ দেশের নাগরিক কর্তৃক অজ্ঞতাবশত সীমান্তরেখা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে উভয়ে দেশের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী তাদেরকে ফেরত পাঠাতে তৎপর থাকবে।উভয় পক্ষই সীমান্ত সম্পর্কিত সমস্যাগুলির সমাধানে সঠিক তথ্য আদান-প্রদান করতে সম্মত হয়।সীমান্ত সুরক্ষা ও যথাযথ আইন প্রয়োগ নিশ্চিতকরনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তে যৌথ টহল পরিচালনা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।যৌথ আলোচনার দলিল স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে (বিজিবি) ৭ম সীমান্ত সম্মেলন শেষ হয়েছে। এই সীমান্ত সম্মেলনে মিয়ানমারের চীফ অব পুলিশ জেনারেল স্টাফ, পুলিশ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ো থান এর নেতৃত্বে ৮ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। অপরদিকে, বিজিবি’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবি’র উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat