ব্রেকিং নিউজ :
সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : জামায়াত আমির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধি প্রতিপালনের নির্দেশ ইসির বিএনপি কাজে বিশ্বাস করে, সমালোচনায় নয়: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যা দিয়েছে দ্য ডিপ্লোম্যাট সাজার বিরুদ্ধে আপিল করলেন জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আবের হত্যাকারী নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ মাদুরোর মুক্তির দাবিতে কারাকাসে হাজারো মানুষের মিছিল তীব্র শীতের মধ্যে ইউক্রেনে আবারো রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, নিহত ২ চোট সত্ত্বেও বিশ্বকাপের জন্য টার স্টেগানের ওপর আস্থা রাখলেন নাগেলসম্যান আবারও নেটিজেনদের রোষানলে কারিনা
  • প্রকাশিত : ২০২০-১১-১৬
  • ৫৯৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ফাইল ছবি

সাম্প্রদায়িক হামলার পাশাপাশি কিছু দেশের জাতিগত সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন অসমাজে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাড়াতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ প্রচারের উপর জোর দিয়েছেন।
পোল্যান্ড আয়োজিত ধর্মীয় স্বাধীনতা বা বিশ্বাসের উন্নয়নের উচ্চ পর্যায়ের এক ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে তিনি আজ বলেন, অসহিষ্ণুতার মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য একটি সম্মিলিত ‘পুরো সমাজ’ দৃষ্টিভঙ্গি এবং সব অংশীজনের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি দৃঢ় অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
এ প্রসঙ্গে তিনি মিয়ানমার কর্তৃক রোহিঙ্গাদের উপর যে অত্যাচার ও নিপীড়ন এবং বাংলাদেশে তাদের অস্থায়ী আশ্রয়ের কথা উল্লেখ করেন।
ড. মোমেন কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, ঘৃণামূলক মনোভাব এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তি ও সম্প্রীতি অর্জনে জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং প্রেক্ষাপট নির্বিশেষে একে অপরের প্রতি সহিষ্ণুতা ও শ্রদ্ধার মানসিকতার তুলে ধরার ওপড় জোর দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটেও বাংলাদেশে বিভিন্ন গোষ্ঠিতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রেখেছে এবং তাদের ধর্মীয় প্রেক্ষাপট নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রণীত বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ পরিচয় তুলে ধরে ড. মোমেন যে কোন অজুহাতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি যে কোন ধরনের সহিংসতা ও বৈষম্যের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করেন।
বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, কুয়েত, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন, উজবেকিস্তান, স্লোভাকিয়া, মরক্কো, লাটভিয়া, কাজাখস্তান ও স্বাগতিক পোল্যান্ডসহ ৫০ টিরও বেশি দেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat