ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২০-১২-২১
  • ৪৬১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশকে আমরা সারা বিশ্বের মধ্যে শান্তির জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সবসময় শান্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন এবং বাংলাদেশের জনগণও সবসময় শান্তিপ্রিয়। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন এই বিষয়টিও আমরা সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই।
বিজয় দিবসের চেতনা ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ আলোচনা সভায় ড. মোমেন বলেন, অনেকে বাংলাদেশকে দারিদ্র্যক্লিষ্ট, সাইক্লোনক্লিষ্ট, দুর্নীতিপরায়ন দেশ হিসেবে ব্রান্ডিং করেন। কিন্তু বাংলাদেশ এখন অপার সম্ভাবনার দেশ, অর্থনৈতিক উন্নয়নের রোল মডেল, দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতিতে প্রথম, নারীর ক্ষমতায়নে নক্ষত্র। এদেশ বিনিয়োগে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পদ্মাসেতু দেশের জন্য আরেকটি বড় বিজয়। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়তার কারণে নিজেদের অর্থে আমরা পদ্মা সেতু তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। বর্তমানে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নাই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত পথে চলতে পারলে অবশ্যই স্বপ্নের ‘‘সোনার বাংলা’’ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব, ব্যবসা-বান্ধব ও দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চায়। দুর্নীতি রোধে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে সাহায্য করছে।
বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ব্যাপারে নজর রাখার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহবান জানান।। তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে বঙ্গবন্ধুর কয়েকজন খুনি পলাতক রয়েছে। এবিষয়ে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যে আমেরিকা ও কানাডায় ‘‘সিগনেচার ক্যাম্পেইন’’ শুরু করেছে। তারা ‘সিগনেচার’ সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সরকারের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
ভার্চুয়াল এ সভায় সংযুক্ত ছিলেন শেখ পরিবারের প্রবীণতম সদস্য শেখ কবির হোসেন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকার, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরুল ইসলাম ঠান্ডু ও নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট মশিউর মালেক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat