ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৩-২৩
  • ৬৪১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ৫৫ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মরণোত্তর তাদের পরিবারকে সংবর্ধনা দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ।
আজ দুপুরে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নব নির্বাচিত মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী।
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালামের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপ-সচিব) শাব্বির ইকবাল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ করা হয়। আমাদের দেশে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রয়েছে, মুক্তিযুদ্ধা কাউন্সিল রয়েছে তারা ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য কোন উদ্যোগ নেয়নি।
বেলারুশের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে যখন হিটলার বাহিনী আক্রমণ করেছিল, বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করেছিল, সে দেশের সরকার সেগুলো সংরক্ষণ করেছে। আজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ভিজিটররা যায় সে গুলো দেখার জন্য। আমাদের দেশে এ রকম বিভিন্ন জায়গায় স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে। তাহলে আগামী প্রজন্ম এসব দেখে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানবে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হলেও ৭ মার্চ প্রকৃত স্বাধীনতা দিবস বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চসিক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, যাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে হবে আমাদের। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাঙালি জাতি কখনো স্বাধীনতা অর্জন করতে পারতো না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চ ভাষণের মাধ্যমে বাঙ্গালি জাতিকে প্রেরণা এবং দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জেলা পরিষদের সচিব মো. রবিউল হাসানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম, সাবেক গণপরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আবু মনসুর, যুদ্ধকালীন বিএলএফ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. মঈনুদ্দিন, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক চৌধুরী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুস।
অনুষ্ঠান শেষে ৫৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মরণোত্তর তাদের পরিবারের হাতে সম্মাননা তুলে দেন ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat