ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৬-১২
  • ৫৪২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসী আমাকে মেয়র নির্বাচিত করার পর আমি উপলব্ধি করি, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ধাপে নির্বাচনী অঙ্গিকার ও কর্ম-পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চসিকের সক্ষমতা ও সামর্থ্য কতটুকু বিদ্যমান তা যাচাই করে নেয়া। তিনি আজ শনিবার বিকেলে চসিক আন্দরকিল্লাস্থ পুরাতন নগর ভবনের কেবি আব্দুস সাত্তার মিলনায়তনে চসিক বৈদ্যুতিক কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
মেয়র বলেন, তাই চসিকের যেটুকু সামর্থ্য, সামগ্রী ও জনবল আছে তা নিয়ে ১০০ দিনের মধ্যে জনগুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারভিত্তিক কার্যক্রম শুরু করেছিলাম, যা পরবর্তীতে আরো ৯০ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই কার্যক্রম পরিচালনায় সাফল্য যেমন এসেছে, তেমনি কিছু প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা অর্জন ও সক্ষমতার ঘাটতি নিরূপণ সম্ভব হয়েছে। যার মাধ্যমে চসিকের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
পরিষদের পৃষ্ঠপোষক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল বারী চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দীন, বিদ্যুৎ স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মো. মোরশেদ আলম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, সিবিএ’র সভাপতি ফরিদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহিদুল আলম চৌধুরী প্রমুখ।
মেয়র আরো বলেন, চসিকের বিদ্যুৎ বিভাগে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নগরীকে আলোকিত করে রেখেছে, তাদের এই কৃতিত্বের প্রতি সম্মান জানাতে হবে। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে তাদের অনেক ঝুঁকি নিতে হয়। সে ঝুঁকি নিতে গিয়ে বিগত কয়েক বছরে ১১ জন শ্রমিককে প্রাণ দিতে হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে কোনো শ্রমিককে যেন কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুর মুখে পতিত হতে না হয় সেজন্য যে সকল সরঞ্জাম প্রয়োজন সেগুলো পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি চসিক শ্রমিক-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অতিরিক্ত কাজের ভাতাসহ অন্যান্য যে সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়েছে, তা চসিকের সামর্থ্যরে নিরিখে বিবেচনায় নিবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি চসিকের অনেক সীমাবদ্ধতাকে মেনে নিয়ে একটি পরিবার হিসেবে কাজ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat