ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-২৭
  • ৫০৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা (দক্ষিণ) হাতে প্লাস্টিকের বস্তা। অনেকের সাথে থাকে ভ্যান। সারাদিন এমন বহু মানুষকে দেখা যায় শহরের আনাচেকানাচে। তাদের একমাত্র কাজ ফেলনা জিনিস ক্রয় বিক্রয় বা খোঁজা। কুমিল্লায় বসবাসকারী এমন ছয়’শ মানুষের আয়ের উৎস ফেলনা জিনিসপত্র। এদের বলা হয় ভাঙারি বিক্রেতা। যাদের পেশা বাসা বাড়ির পুরোনো জিনিসপত্র কেনা বা রাস্তা ও ময়লার বাঘাড়ে ফেলনা জিনিসপত্র খুঁজে বিক্রি করা। শহর ছেড়ে প্রতিদিন অনেকে গ্রামের পথেও পাড়ি দেন ফেলনা জিনিসের খোঁজে।
কুমিল্লার স্থানীয় ভাঙারি জিনিস বিক্রেতা শাকিল বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে শহরের হাঁটা শুরু করি। বাসাবাড়ি থেকে জিনিস পত্র কিনি। সারাদিন যা পাই তা নিয়ে সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরি। আমি ও আমার সাথের প্রায় ১৫-২০ জন থাকি একটা বস্তিতে। বাসস্থানে ফেরার আগেই বিক্রি করি সারাদিনের সব জিনিসপত্র। তিনি আরও জানান, অনেকে বেশি টাকা একবারে পাওয়ার উদ্দেশ্যে অনেক দিনের অর্জিত মালামাল একদিনে বিক্রি করেন। অনেকদিনের মালামাল বিক্রির অর্থ একসাথে নিয়ে থাকেন বা প্রতিদিনের টাকা আলাদাভাবেও নিতে পারে। যার যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই তাদের মালিকের সাথে চুক্তি করা থাকে। এ মালামাল বিক্রির টাকাতে চলে একজন হকারের সংসার।
হাজি তৈয়র আলী নামে চকবাজারের এক ভাঙারি দোকানদার বলেন, আমার দোকানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন হকার প্রতিদিন মালামাল নিয়ে আসে। অনেকে শহরের বাইরেও যায়। অনেক মহিলারাও আসেন। তারা আমার কাছে মালামাল বিক্রি করেন। আমি মালগুলো বড় বড় ফ্যাক্টরিতে পাঠাই।
কুমিল্লা শহরের অবস্থানরত এমন ছয়’শ মানুষের আয়ের পথই ফেলনা জিনিস বিক্রি করা। দিনে ৪০০-৫০০ টাকা আয় করা মানুষগুলোর অনেকেই কুমিল্লার বাইরের জেলা উপজেলা থেকে এসে কুমিল্লা শহরে হকারি ব্যবসায় জড়িত। তবে কুমিল্লায় স্থায়ী ভাঙারি বিক্রেতার সংখ্যাই বেশি। এসব তথ্য জানান কুমিল্লা পুরাতন লৌহ ভাঙারি মালিক সমিতির সভাপতি শাহ আলম।
তিনি আরও জানান, কুমিল্লা শহরে প্রায় একশত বিশটি ভাঙারি দোকান রয়েছে। এ একশত বিশটি দোকানেই ফেলনা মালামাল বিক্রি করেন হকাররা। এ মালামালগুলোর মধ্যে রয়েছে অব্যবহৃত প্লাস্টিকের জিনিসপত্র, লোহা ও স্টিলের জিনিসপত্র, আবার রয়েছে রাবার ও কাঁচের জিনিসপত্র। ফেলনা এই মালামালগুলো পাইকারি দরে কিনে আবার বিভিন্ন প্লাস্টিক কোম্পানি ও জ্বালানির কাজে ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয় বিভিন্ন মিল ও ফ্যক্টরিতে। আবার অনেক প্লাস্টিক দোকানি নিজেই ফেলনা প্লাস্টিক জিনিসপত্র দিয়ে নতুন করে প্লাস্টিক জিনিসপত্র তৈরি করেন। তার মধ্যে প্লাস্টিকের সুতা অন্যতম।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat