ব্রেকিং নিউজ :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিজিবির অভিযানে ১২টি অস্ত্র ও গুলিসহ সরঞ্জাম জব্দ বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত, আহত ১৪ খাগড়াছড়ির ৩টি কেন্দ্রে ভোটের সামগ্রী ও জনবল যাবে হেলিকপ্টারে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির পুরোনো রাজনৈতিক শক্তিগুলো নতুন মোড়কে বিভ্রান্তের চেষ্টা করছে : চরমোনাইর পীর পাকিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৩০ বাংলাদেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায় : নাহিদ ইসলাম নতুন নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ভিনদেশি প্রভাবে নয়, দেশের জনগণের সিদ্ধান্তেই রাজনীতি হওয়া উচিত : কর্ণেল অলি
  • প্রকাশিত : ২০২২-১০-২০
  • ১৯৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নে দুদেশের গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।  
বাংলাদেশ ভারতের সম্পর্ককে সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচাইতে সুসংহত করার লক্ষ্যে দুদেশের গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের তৎকালীন সরকার প্রধান শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও আদর্শিক নেতৃত্বই দুদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভীত স্থাপন করেছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সম্পর্ক আরো প্রতিষ্ঠিত ও সুসংহত হয়েছে। মুজিব শতবর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফর দুদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে জোরদার করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঙ্গার পানিবন্টন চুক্তি, ভারতের সাথে স্থল সীমানা চুক্তি ইত্যাদি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বিবিআইএন, বিমসটেক ইত্যাদি বিষয়ে উভয় দেশ কিভাবে আরো উপকৃত হতে পারে সেক্ষেত্রে দুদেশের গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’ 
জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় প্রেসক্লাবের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘রোল অব মিডিয়া ইন বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া রিলেশন্স: চ্যালেঞ্জেস এন্ড প্রসপেক্টস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্পিকার আজ এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, বৈশ্বিক সংকটময় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও ভারত শুধু ভৌগোলিক সীমান্তেই আবদ্ধ নয়, পঞ্চাশ বছর ধরে দুই দেশের শিল্প, সাহিত্য, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ নানা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা লক্ষ্যণীয়। ভারত বাংলাদেশের সবচাইতে পুরনো বন্ধু। মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে অকুন্ঠ সমর্থন দেয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের নিরীহ মানুষের ওপর পাকিস্তানের বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল ভারত। মুক্তিযুদ্ধকালে এদেশের প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল ভারত। ভারতীয় গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজ গণহত্যার খবর সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিল। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানের মধ্য দিয়ে নতুন সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। 
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, স্বৈরশাসনের দুঃসহ দিনগুলোতে জাতীয় প্রেস ক্লাবই হয়ে উঠেছিল আন্দোলন ও সংগ্রামের কেন্দ্রস্থল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হানাদার বাহিনী প্রেস ক্লাবে মরটার শেল নিক্ষেপ করেছিল এবং অপারেশন সার্চলাইটের সময়ে প্রেস ক্লাব ভবন বিধ্বস্ত হয়ে যায়। সকল আন্দোলন সংগ্রামে কখনো আপোষ না করে মুক্তবুদ্ধি ও মুক্তচিন্তার বাতিঘর জাতীয় প্রেসক্লাব। জাতীয় প্রেসক্লাব গণতন্ত্রের আধার, অসাম্প্রদায়িক গতিশীল চেতনার ধারক, স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই প্রতিষ্ঠান এখনো দেশের মানুষের ভরসার স্থল।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও দ্যা ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, ভারতীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি গীতার্থ পাঠক ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat