ব্রেকিং নিউজ :
দিনাজপুরে র‌্যাব সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভেনেজুয়েলার তেল খাত সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞা আরও শিথিল করলো যুক্তরাষ্ট্র একটি শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : সিইসি বিশ্বে ৯ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষের ছানি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রাণীদের চিকিৎসাকেন্দ্র উদ্বোধন তারেক রহমানের, মিলবে বিনামূল্যে সেবা ভেনেজুয়েলায় বিরোধী দলীয় নেতা মাচাদোর ঘনিষ্ঠ গুয়ানিপাকে গৃহবন্দী প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ বন্যা ও ঝড় মোকাবিলায় সমালোচনার মুখে পদত্যাগ পর্তুগালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আজ সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন সিইসি
  • প্রকাশিত : ২০২২-১১-২১
  • ১৬৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২২ উপলক্ষে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল এসময় গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং বিউগলে করুন সুর বাজানো হয়।
পরে শিখা অনির্বাণ প্রাঙ্গণে পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত শেখ হাসিনা।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে পৌঁছালে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাকে স্বাগত জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে (এএফডি) যান। সেখানে তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং সশস্ত্র বাহিনীর তিন প্রধানরা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
শেখ হাসিনা এএফডিতে পৌঁছালে পিএসও এবং এএফডির মহাপরিচালকগণ তাঁকে স্বাগত জানান।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এই দিনে সেনাবাহিনী, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে, যা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়কে ত্বরান্বিত করে।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ঐতিহাসিক এ দিনটিকে প্রতিবছর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat