ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৭-১২
  • ৭৯৫৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
দূরবর্তী মহাজগতের শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য দিয়ে বিশ্বকে স্তম্ভিত করার এক বছর পর বুধবার নাসা জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ থেকে একটি নতুন চিত্র উন্মোচন করতে যাচ্ছে।
জেমস ওয়েব কক্ষপথের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ। এটি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে মহাকাশে পাঠানো হয়। এটি পৃথিবী থেকে ১৬ লাখ মাইল দূরে দ্বিতীয় ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট (এল-২) নামে একটি কক্ষপথে স্থাপন করা হয়।
এটির ধারণ করা প্রথম পূর্ণ রঙিন ছবি ২০২২ সালের ১১ জুলাই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন উন্মোচন করেন। এটি ১,৩০০ কোটি বছর আগের আদি মহাবিশ্বের এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে পরিষ্কার দৃশ্য।
পরবর্তী ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ক্যারিনা নেবুলা নামক মহাকাশের একটি অঞ্চলে ‘পর্বত’ এবং ‘উপত্যকা’ সদৃশ্য নতুন তারকা-গঠনকারী অঞ্চলের ছবি, যাকে কসমিক ক্লিফস বা জায়ান্ট গ্যাসীয় মন্ডল বলা হয় এবং একটি মহাজাগতিক বৃত্তে আবদ্ধ পাঁচটি ছায়াপথের একটি দল, যাকে বলা হয় স্তেফানের কুইন্টেট। পেগাসাস নক্ষত্রমন্ডলে এই গ্যালাক্সি জোটের অবস্থান। এটি প্রথম ১৮৭৭ সালে এদোয়ার্দ স্তেফান আবিস্কার করেন।
বুধবারের প্রকাশের ছবির প্রকৃতি সম্পর্কে নাসা নীরব রয়েছে, যা ইস্টার্ন টাইম সকাল ৬:০০ এ (১০০০জিএমটি) নাসার ওয়েবসাইটে দেখা যাবে।
ওয়েব টেলিস্কোপে ২১ ফুট (৬.৫ মিটার) এরও বেশি পরিমাপের একটি প্রাইমারি মেরর রয়েছে, যা ১৮টি ষড়ভুজাকার সোনার প্রলেপযুক্ত অংশ একত্রিত করে তৈরি হরা হয়েছে এবং সেইসাথে একটি টেনিস কোর্টের আকারের এই টেলিস্কোপটি পাঁচ স্তরের সানশিল্ড দিয়ে তৈরি।
এর পূর্বসূরি হাবলের বিপরীতে, এটি প্রাথমিকভাবে ইনফ্রারেড বর্ণালীতে কাজ করে। এটিকে সময়ের শুরুতে আরও কাছাকাছি ফিরে তাকানোর সুযোগ দেয় এবং ধূলিকণার মেঘগুলোকে আরও ভালভাবে প্রবেশ করতে দেয় যেখানে তারা এবং গ্রহের সিস্টেমগুলো এখনো তৈরি হচ্ছে।
মূল আবিষ্কারগুলির মধ্যে রয়েছে বিগ ব্যাং-এর কয়েকশ’ মিলিয়ন বছর পরে গঠিত প্রথমদিকের কিছু ছায়াপথ। আমাদের সৌরজগতের বাইরের একটি গ্রহের বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড খুঁজে পাওয়া এবং আমাদের সৌর জগতের বৃহস্পতি গ্রহের অত্যাশ্চর্য নতুন দৃশ্য।
জ্যোতির্বিদ্যার একটি নতুন যুগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০ বছরের দীর্ঘ মিশনের জন্য ওয়েবের যথেষ্ট জ্বালানী রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat