ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপি’র উদ্যোগে কড়াইল বস্তিতে ফ্রি ওয়াইফাই সার্ভিস চালু নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : জামায়াত আমির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধি প্রতিপালনের নির্দেশ ইসির বিএনপি কাজে বিশ্বাস করে, সমালোচনায় নয়: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যা দিয়েছে দ্য ডিপ্লোম্যাট সাজার বিরুদ্ধে আপিল করলেন জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আবের হত্যাকারী নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ মাদুরোর মুক্তির দাবিতে কারাকাসে হাজারো মানুষের মিছিল তীব্র শীতের মধ্যে ইউক্রেনে আবারো রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, নিহত ২
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১০-১০
  • ৭৮৯৯৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
উজ্জ্বল রায়, প্রতিনিধি নড়াইল : নড়াইলে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। 
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) সকালে কোরআন খতম, শিল্পীর সমাধিস্থলে পুস্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল, আর্টক্যাম্প, সুলতান স্মরণে শিশুদের লেখা চিঠি উৎসব প্রদর্শনী, পাপেট শো, আলোচনা সভা, চলচিত্র আদম সুরত প্রদর্শনী ও পালাগানের আয়োজন করা হয়। 
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ নড়াইলের উপ-পরিচালক জুলিয়া সুকায়না, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শ্বাশতী শীল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জুবায়ের হোসেন চৌধুরী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট জেলা সভাপতি মলয় কুমার কুন্ডু, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক মীর্জা নজরুল ইসলামসহ অনেকে।
বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। জন্মভূমি নড়াইলের কুড়িগ্রামে তাকে শায়িত করা হয়। 
১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইলের মাছিমদিয়ায় বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন এসএম সুলতান।
চিত্রশিল্পের মূল্যায়ন হিসেবে ১৯৮২ সালে ‘একুশে পদক’, ১৯৮৪ সালে ‘রেসিডেন্ট আর্টিস্ট’ ১৯৮৬ সালে ‘বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা’ এবং ১৯৯৩ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ পেয়েছেন। এছাড়াও ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কার লাভ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat