ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১১-২৩
  • ২৩৪৫০৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
‘সুস্থ দেহ সুস্থ মন, হাঁটবো আমি যতক্ষণ’ এই স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে চাঁদপুরে প্রথবারের মত অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়াকথন প্রতিযোগিতা।
প্রতিযোগিতায় নারী ও পুরুষ বিভাগে ৪০০ প্রতিযোগী অংশ নেয়।

শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় চাঁদপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ক্রীড়া ও সমাজিক সংগঠন ‘চলেন হাঁটি’র উদ্যোগে এবং ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এন এম খান মুরাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে সকালে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন । বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুর রকিব।

নারী ও পুরুষ বিভাগে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ৪টি দল অংশগ্রহণ করে। পুরুষ বিভাগে ১৫-৪৫ এবং ৪৬ থেকে ৭৫ বছর বয়সী দুটি দল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শহরের বিভিন্ন সড়কে ৬ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। একই বয়সী নারীদের দুটি দল শহরের ৩ কিলোমিটার সড়ক হেঁটে কলেজ ক্যাম্পাসে এসে শেষ করেন।

হাঁটা শেষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সদস্যসহ অন্যান্যদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রধান করেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের চিকিৎসকরা। এ সময় বিনামূল্যে ঔষুধ বিতরণ করা হয়।

পরে কলেজ ক্যাম্পাসেই আয়োজন করা হয় প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ। এতে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ একেএম আবদুল মান্নান।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আলম পলাশের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেন, ‘সুস্থ থাকার জন্য হাঁটা যেমন প্রয়োজন, তেমনি মনকে ভাল রাখার জন্য ভাল পরিবেশে আসতে হবে। নানা কাজ শেষে সকালে যখন হাঁটবেন এবং সবার সাথে দেখা হবে তখন নানা বিষয়ে কথা হলে মন হালকা হবে এবং ধীরে ধীরে মন সুস্থ হতে থাকবে। হাঁটার জন্য যখন সকলে একত্রিত হবেন তখন নিজেদের মধ্যে একটি সামাজিক বন্ধন তৈরী হবে। এটিও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ন।

৪টি দলের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী প্রত্যেককে সনদ, মেডেল ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat