ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ১৯৭০-০১-০১
  • ১১১১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে বরিশালে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে চলছে নানা সমীকরণ। বিগত দিনের ভোটের হিসাব কষে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও ভোট সুষ্ঠু হবে কি না, সেটা নিয়েই তারা শঙ্কিত। আর সরকারের উন্নয়ন ও নতুন ভোটারদের সমর্থন—দুয়ে মিলে জয়ের ব্যাপারে প্রত্যয়ী আওয়ামী লীগ। তবে এখন পর্যন্ত ভোটাররা কেন যেন নিশ্চুপ, ভোট নিয়ে আগ্রহ-উদ্দীপনা কম।

বরিশাল সিটি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ ৩০ জুলাই। নির্বাচনপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ নেতারা বলে আসছেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারাও বরিশালে এসে এমন আশ্বাস দিয়েছেন।

শহরের একজন অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক বলেন, আওয়ামী লীগ-বিএনপি থেকে এবার প্রভাবশালী দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একদিকে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, অন্যদিকে মজিবর রহমান সরোয়ার। সাদিক সাংসদ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে। আর সরোয়ার আগে মেয়র ও সাংসদ ছিলেন। বরিশালের রাজনীতিতে তিনি বেশ প্রভাবশালী। তাই ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন, সেই সিদ্ধান্তহীনতায় আছেন।

একজন আইনজীবী বলেন, বিগত কয়েকটি নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। ভোটাররা কোনোভাবেই সুষ্ঠু, স্বাভাবিক নির্বাচনের বিষয়ে আস্থা রাখতে পারছেন না। এ জন্য ভোট নিয়ে আগ্রহ কম। এখন ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনাই রাজনৈতিক দলগুলোর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

খুলনা ও গাজীপুরের অভিজ্ঞতার পর বরিশালে বিএনপি কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে, জানতে চাইলে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দীন সিকদার বলেন, ‘নির্বাচনের পর এই সরকারের মেয়াদ থাকবে দুই থেকে সোয়া দুই মাস। বড় কথা হলো, মানুষ সব বুঝে গেছে। তারপরও আমরা ভোটারদের সচেতন করছি তাঁরা যাতে ভোটকেন্দ্র যান। আর আমাদের নেতা-কর্মীরা জীবন বাজি রেখে কেন্দ্রে থাকবেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat