ব্রেকিং নিউজ :
সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে দোয়া চাইলেন ডাঃ মোছাঃ শাহানা খাতুন (শানু) ফ্যামিলি কার্ডের আদলে চালু হচ্ছে ‘স্মার্ট কৃষক কার্ড’ : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইউএই-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে ১ কোটি ডলার বিনিয়োগ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালদ্বীপের জাতীয় বিমানসংস্থার অফিস উদ্বোধন ঢাকায়; সরাসরি ফ্লাইট চালু ১২ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ১ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের জাহাজ বাড়ি মামলায় হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • প্রকাশিত : ২০২২-১১-১৯
  • ২৩৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কবি বেগম সুফিয়া কামাল যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন- তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল কবি বেগম সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ কবি বেগম সুফিয়া কামাল এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি বেগম সুফিয়া কামালের সাহিত্যে সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে। 
নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল- উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবী জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে গঠিত আন্দোলনে কবি যোগ দেন। বেগম সুফিয়া কামাল শিশু সংগঠন ‘কচি-কাঁচার মেলা’ প্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামে ছাত্রী হল নির্মাণ করেছে। 
শেখ হাসিনা বলেন, সুফিয়া কামাল ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাঁর আপোষহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পঁচাত্তরের পনেরই আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করে যখন এদেশের ইতিহাস বিকৃতির পালা শুরু হয়, তখনও তাঁর সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল।
তিনি আশা করেন, কবি বেগম সুফিয়া কামালের জীবনী চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। কবির ভাষায় - 
   ‘তোমাদের ঘরে আলোর অভাব কভূ নাহি হবে আর/ আকাশ-আলোক বাঁধি আনি দূর করিবে অন্ধকার। 
    শস্য-শ্যামল এই মাটি মা’র অঙ্গ পুষ্ট করে / আনিবে অটুট স্বাস্থ্য, সবল দেহ-মন ঘরে ঘরে।’ 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat