ব্রেকিং নিউজ :
মুসলিম বিশ্বকে শিক্ষায় আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নারীদের এগিয়ে আনতে রাজনৈতিক দলগুলোর বড় ভূমিকা প্রয়োজন : জাইমা রহমান পাহাড় ও সমতলের ব্যবধান ঘুচাতে ই-লার্নিং হবে শক্তিশালী হাতিয়ার : সুপ্রদীপ চাকমা এমন প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না যা মানুষের সাধ্যের বাইরে: তারেক রহমান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ বিটিসিএল এমভিএনও সিম এবং ট্রিপল প্লে সেবার উদ্বোধন ‘বন্দরে ধর্মঘটের ইস্যুতে সরকার হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে’ বিএনপির ৭ নেতার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য শুল্ক সমন্বয়ে ২৫টি বোয়িং কেনার প্রস্তাব বিমানের সারাদেশে গণভোট ও নির্বাচন-২০২৬ সম্পর্কে প্রচার করছে তথ্য মন্ত্রণালয় : তথ্যসচিব
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১০-০৫
  • ৪৩৪৫৬৭৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
চাঁদপুর জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বৃষ্টিপাতে জেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও বাসাবাড়িতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এর চগে চলতি বছর ২৭ মে জেলায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল ২৫৭ মিলিমিটার।
শনিবার সকাল থেকে টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। শহর ঘুরে দেখাগেছে অধিকাংশ মহল্লা সড়কে জলাবদ্ধতা। বিশেষ করে শহরের নাজির পাড়া, মিশন রোড আশ্রম এলাকা, প্রফেসর পাড়া, মমিন পাড়া, গুয়াখোলা, চিত্রলেখা মোড়, পালপাড়া, আলিম পাড়া, আদালত পাড়া, রহমতপুর আবাসিক এলাকা, গাজী সড়ক, মাদ্রাসা সড়কে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা হয়েছে । এসব এলাকার বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
মিশন রোড এলাকার অটোরিকশা চালক আমিনুল ইসলাম বলেন, ভোর ৬টায় সড়কে নেমেছেন। বৃষ্টির কারনে লোকজন বাসাবাড়িতে থেকে নামেনি। যাত্রীর অপেক্ষায় আছেন। সড়কে যানবাহন সংখ্যা খুবই কম জানালেন তিনি।
শহরের নাজির পাড়ার মামুনুর রশিদ বলেন, বৃষ্টির পানি তাদের বাসার নীচতলায় হাঁটু পরিমান। গতকাল রাত থেকেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
পালপাড়া এলাকার গণমাধ্যম কর্মী  মাজহারুল ইসলাম অনিক জানান, চলতি বছর টানা বৃষ্টি হলেও গতকাল রাত থেকে বৃষ্টির পরিমাণ ছিলো অনেক বেশী। তাদের বাসায়ও পানি হাঁটু পরিমান।
শহরের শপথ চত্বর এলাকায় মাঠা বিক্রি করেন বিকাশ দাস, তিনি জানান, সকাল ৬টায় এসে মাঠা বিক্রির জন্য বসেছেন। বৃষ্টির কারনে সকাল ১০টা পর্যন্ত কোন ক্রেতা আসেনি। মাঠা বিক্রি করেই তার সংসার চলে। যে কারনে বৃষ্টিতেও ঘরে বসে থাকতে পারেননি।
সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আলগী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস ছাত্তার বলেন, টানা বৃষ্টিতে বাড়ির চারপাশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সড়কেরও বেহাল অবস্থা।
বৃষ্টির প্রভাবে চাঁদপুর সেচপ্রকল্পে পুনরায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, আগের বৃষ্টির সময় ফসল ও রাস্তাঘাট এবং মৎস্য চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। এবারও এমন আশংকা রয়েছে বলে জানান ফরিদগঞ্জ উপজেলার রামদাসের বাগের একজন চাষী আতিকুর রহমান। তিনি জানান, গতকালের বৃষ্টির কারনে বাড়ির উঠানে ও পানি আটকে গেছে।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে মুষলধারে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। থেমে থেমে সারা রাত বৃষ্টি ও বজ্রপাত অব্যাহত ছিলো। সন্ধ্যার পর থেকে শহরের সড়কগুলোতে যানবহন চলাচল কমে যায়। অনেকেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাসাবাড়িতে চলে যায়।
চাঁদপুর আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক শাহ্ মো. শোয়েব বলেন, ৪ অক্টোবর সকাল ৯টা হতে ৫ অক্টোবর সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৫০ মিলিমিটার এবং সকাল ৬টা হতে ৯টা পর্যন্ত ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। ২৪ ঘন্টা হিসেবে এ বছর জেলায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ২৭৭ মিলিমিটার। এর আগে গত ২৭ মে জেলায় ২৫৭ মিলিমিটার সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat