ব্রেকিং নিউজ :
যুগপৎ আন্দোলনের সাথীদের নিয়েই সরকার গঠন করবে বিএনপি : মির্জা ফখরুল গণভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ, ‘হ্যাঁ’ জিতেছে লক্ষীপুর-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মো. শাহাদাত হোসেন হবিগঞ্জ-৩ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির জি কে গউছ তারেক রহমানকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দন সুষ্ঠু ও শতভাগ নিরপেক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারকে সহযোগিতা করবে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ বিজয় মিছিলে ‘না’, জুমার পর বিশেষ মোনাজাতের নির্দেশ তারেক রহমানের সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে কোন দল কত আসন পেল ভোলায় শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৮-২২
  • ৩২৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
হবিগঞ্জে পৃথক হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

জেলার বানিয়াচং উপজেলার পুরান পাথাড়িয়া গ্রামের তিন খুনের পৃথক মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া রায়ে সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নাসিম রেজা এই রায় ঘোষনা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পুরান পাথাড়িয়া গ্রামের করম আলী, আলী মোহাম্মদ, সুরুজ আলী ও তুরাব আলী।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার পুরাণ পাথাড়িয়া গ্রামে পূর্ব বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন নিহত ও শতাধিক আহত হয়।
এক পক্ষের হেলিম উল্লার ছেলে নুর মোহাম্মদ খুনের ঘটনায় তার ভাই আলী আহম্মদ বাদী হয়ে ওই দিনই বানিয়াচং থানায় ১৩০জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
থানার এসআই অমরেন্দ্র বিশ্বাস ১৯৯৯ সালের ১১ আগস্ট এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে দীর্ঘ সময়ে ১১ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক আজ বৃহস্পতিবার আসামি করম আলীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন।
অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট সুবীর রায়।
একই ঘটনায় অপর পক্ষের আলা উদ্দিন এর ছেলে সামছুল হক এবং ইনছান উল্লার ছেলে আফিল উদ্দিন নিহত হন । নিহতদের আত্মীয় এবং ওই ঘটনায় আহত আকিতা বেগম ঘটনার দিন বাদী হয়ে ৬২জনকে আসামী করে আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
থানার এসআই অমরেন্দ্র বিশ্বাস ১৯৯৯ সালের ১১ আগস্ট আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরে দীর্ঘ সময়ে ৯ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত আসামী আলী মোহাম্মদ, সুরুজ আলী ও তুরাব আলীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন।
অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেখসুর খালাস দেয়া হয়। রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট সালেহ আহমেদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat