ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০১৯-১০-১৬
  • ৩৭০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত ও পকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে

 বাংলাদেশ বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে। গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (জিএইচআই) ২০১৯ এর সূচকে বাংলাদেশ ২৫.৮ স্কোর পেয়ে ১১৭টি দেশের মধ্যে ৮৮তম স্থানে রয়েছে। পাকিস্তান ২৮.৫ স্কোর পেয়ে ৯৪তম এবং ভারত ৩০.৩ স্কোর পেয়ে ১০২ তম স্থানে রয়েছে। ওয়েভসাইটে পাওয়া জিএইচআই রিপোর্ট ২০১৯ এ উল্লেখিত তথ্যে এ খবর জানা যায়।জিএইচআই বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা এবং অপুষ্টির ওপর এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সূচকের ১১৭তম অবস্থানে রয়েছে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র। দেশটিতে খাদ্য সমস্যা প্রকট। সূচক নির্ধারণের জন্য চারটি বিষয়ের ওপর অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়। বিষয়গুলো হলো: অপুষ্টি, চাইল্ড স্টান্টিং, চাইল্ড ওয়েস্টিং এবং চাইল্ড মর্টালিটি।সারাবিশ্বে ক্ষুধা কমিয়ে আনতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে প্রতি বছর কনসার্ণ ওয়াল্ডওয়াইড এবং ওয়েলথহাঙ্গারহিল যৌথভাবে জিএইচআই রিপোর্ট প্রকাশ করে। রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের জিএইচআই ইন্ডিকেটর ভ্যালু দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের জন্য ইন্ডিকেটর ভ্যালুতে প্রভাব ফেলে। ভারতের শিশু ওয়েস্টের হার ২০.৮ শতাংশ। এই হার বিশ্বের যে কোন দেশের চেয়ে বেশি। শিশু স্টান্টিং হার ৩৭.৯ শতাংশ। ভারতের জনস্বাস্থ্যে ক্ষেত্রে এটি খুবই বেশি। শিশু পুষ্টিতে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের বাইরে দুটি দেশ বেশ এগিয়ে আছে এবং তাদের অভিজ্ঞতা উৎসাহব্যঞ্জক। ২০১৫ সালের জরিপে বাংলাদেশে স্টান্টিং কমার পেছনের কারণ সনাক্ত করার আহ্বান জানানো হয়। এ সময়ে জাতীয় পযার্য়ে ১৯৯৭ সালে ৫৮.৫ শতাংশ থেকে ২০১১ সালে ৪০.২ শতাংশে নেমে আসে।সমীক্ষায় দেখা গেছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ার সাথে সাথে পরিবার ভিত্তিক সম্পদ বেড়েছে। মৃত্যু হার কমার পেছনে স্বাস্থ্য, সেনিটেশন এবং জনসংখ্যা ভূমিকা রেখেছে।নেপালে শিশু স্টান্টিং এ উল্লেখযোগ্যহারে হ্রাস পেয়েছে। ২০০১ সালের ৫৬.৬ শতাংশ থেকে কমে ২০১১ সালে ৪০.১ শতাংশে নেমে আসছে।গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স ২০১৯ এ দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও অপুষ্টির হার কমেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat