ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২১-১২-১৯
  • ৭৬০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, আগামীতে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া লটারির আওতায় আসবে।
তিনি আজ বিকেলে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা অ্যাকাডেমি (নায়েম) মিলনায়তনে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ডিজিটাল লটারি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা জানান ।
তিনি বলেন, দেশের সরকারি-বেসরকারি সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ ও তদবির বন্ধে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর সরকারি মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাইয়ে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তির ক্ষেত্রে আগে আমরা যা দেখতাম, সেটা ভর্তি যুদ্ধ। ভর্তি নিয়ে বাবা-মায়ের যুদ্ধ। ছোট ছোট শিক্ষার্থী যারা ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হবে তাদের জোর করে মুখস্ত করাচ্ছেন, বাবা-মা নিজেরাও মুখস্ত করছেন। এই রকম একটা ভর্তি যুদ্ধের অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।’
তিনি আরো বলেন, ভর্তির ক্ষেত্রে যে সব নেতিবাচক চর্চা রয়েছে তা থেকে বেরিয়ে আমরা ইতিবাচক দিকে আসতে চাইছি।  সব চেয়ে বেশি নম্বর পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী সব এক স্কুলে। তার চেয়ে নানা ধরনের মেধার শিক্ষার্থী একসঙ্গে  থাকলে আমরা মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারব।
তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ তো হয়ই, আমাদের ওপরও যুদ্ধ চলে আসে। সব কিছু পড়ে বেশি নম্বর পেয়ে স্কুলে ভর্তি হতে হয়, তাহলে স্কুলের কৃতিত্বটা কী? কম নম্বর পাওয়া একজন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে সে বেশি নম্বর পেলে এটাই শিক্ষকের কৃতিত্ব।  
এছাড়া বেশি নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে বেশি নম্বর পেলে তাতে শিক্ষকের আত্মতৃপ্তির জায়গা থাকে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তির বিষয়ে শিশুদের ওপর প্রচন্ড মানসিক চাপ থাকে। একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। এর মধ্যে একটি অনৈতিক বিষয়ও জড়িয়ে যায়। অনেক রকম তদবিরের চাপ থাকে। কী করে এ থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় এসে গেলো করোনা। করোনা না আসলেও আমরা লটারির কথা ভেবেছিলাম। গত বছর লটারি করার পর অধিকাংশ জায়গা থেকে ফোন এসেছে। দু’চারটি জায়গা ছাড়া সবাই এতে খুশি। এতে সমতা তৈরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এটা যেহেতু চালু হয়েছে প্রতিবছরই এটা থাকবে। গত বছর করা হয়েছিলে মহানগরে। এবার জেলা পর্যায়ে লটারি করা হয়েছে। উপজেলাগুলো আমরা এবার লটারির আওতায় আনিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat