ব্রেকিং নিউজ :
ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, রাষ্ট্র সংস্কারই দেশের প্রধান প্রয়োজন : মাওলানা মামুনুল হক জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ : দলমত নির্বিশেষে নিরাপদ দেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, ইউএনডিপির দুটি নতুন প্রকল্প চুক্তি স্বাক্ষর জাপানের সঙ্গে ইপিএ বাংলাদেশের জন্য যুগান্তকারী: প্রধান উপদেষ্টা শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অধিকতর অভিযোগ গঠন শুনানি ২ মার্চ নারী ও শিশু সুরক্ষায় আধুনিক ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাব অপরিহার্য : শারমীন এস মুরশিদ এই নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের ঐতিহাসিক সুযোগ : তারেক রহমান দুয়েকজন ছাড়া সব উপদেষ্টা জমা দিয়েছেন সম্পদের হিসাব, শিগগিরই প্রকাশ ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের মতো সিদ্ধান্ত আর দেখতে চাই না : আসিফ মাহমুদ কারা অধিদপ্তরকে ১৩ হাজার ধর্মীয় বই উপহার দিচ্ছে ধর্ম মন্ত্রণালয় : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৭-২৩
  • ৮০৫৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত যেভাবে আমাদের পাশে ছিল, বাংলাদেশ-ভারতের সে সম্পর্ক রক্তের বাঁধনে লেখা থাকবে। 
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের সহযেগিতায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তিস্তা ব্রিজ ও ভৈরব ব্রিজের মাধ্যমে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।’
আজ রেলভবনের সভা কক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং কেইসি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ভারতের মধ্যে ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে তৃতীয় ও চতুর্থ  ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ট্র্যাক, দ্বিগুন করার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 
মন্ত্রী বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে ডব্লিউডি-২ ডিজাইন, সরবরাহ, ইনস্টলেশন এবং ৭টি স্টেশনে কম্পিউটার ভিত্তিক ইন্টারলক সিগন্যালিং সিস্টেমের পরীক্ষা-কমিশন করা হবে, যার মধ্যে নির্বাচিত লেভেল ক্রসিংগুলির ইন্টারলকিং এবং অপটিক্যাল ফাইবার ভিত্তিক টেলিকমিউনিক সিস্টেমের কাজ এবং আন্তঃসংযোগ ভিত্তিক টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের জন্য সিগন্যালিং সিস্টেম স্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, ৭৫ সালের পরে স্বাধীনতা বিরোধীরা কোন উন্নয়ন করেনি, এমনকি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সাথে বৈরী সম্পর্ক ছিল, সম্পর্কের উন্নয়নের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর সম্পর্কের উন্নয়ন হয়েছে। ছিটমহল সমস্যা, গঙ্গা চুক্তি, পার্বত্য শান্তিচুক্তিসহ দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। রেলওয়ে ব্যবস্থায় আমাদের ইন্টার সেকশন পয়েন্ট যেগুলো ছিল তার ৮টির মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও ভারতের সাথে আমাদের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ডাবললাইনে রূপান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ডাবললাইন করা হয়েছে উল্লেখ করে নুরুল ইসলাম সুজন আখাউড়া থেকে আগড়তলা, খুলনা থেকে মংলা, ঢাকা থেকে পদ্মা ব্রিজ হয়ে ভাঙ্গা এবং ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী অচিরেই উদ্বোধন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষে নাজনীন আরা কেয়া, প্রকল্প পরিচালক এবং কেইসি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড পক্ষে সুবর্জিত যনা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat