ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৩-২৫
  • ২৩৪৬১৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
মেঘনা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছে ভৈরব হাইওয়ে থানার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানাসহ তিনজন। তাদের সন্ধান এখনও মিলেনি। বাকি দুইজন হলেন পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানার শিশু পুত্র সন্তান রাইসুল ও বেলন দে নামের একজন।
এদিকে ঘটনার তিনদিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা উদ্ধার না হওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার পিতা মো. আবদুল আলিম। তিনি জানান, এখন কোন সন্ধান মিলেনি আমার ছেলে সোহেল রানা ও নাতনী রাইসুলের। তবে বিআইডব্লিটিএ উপ-পরিচালক ও উদ্ধার ইউনিট প্রত্যয়ের প্রধান ওবায়দুল করিম জানান, মেঘনা নদীর তলদেশে আর কোন মরদেহ নাই। তিনি আরও জানান সাধারণত ২৪ ঘন্টা পর ডুবে যাওয়া মরদেহ ভেসে উঠে। ফলে আমরা নদীর চারদিকে আমাদের টিমের সদস্যরা স্প্রীট বোর্ড  ট্রলার মাধ্যমে ভেসে যাওয়া মরদেহগুলো খুজঁছে।
এ ঘটনায় গত শনিবার রাতে ট্রলারটিকে ধাক্কা দেওয়া বাল্কহেডের সুকানি ও ইঞ্জিন মিস্ত্রিকে আসামি করে নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল মো. সোহেল রানার বাবা মো. আব্দুল আলিম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার এজহারে আসামিদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
নৌ-পুলিশের কিশোরগঞ্জ জোনের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মামলাটি ঘটনাস্থলের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় দায়ের করা হয়েছে। তবে নৌ পুলিশ তদন্ত কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি আসামিদের গ্রেপ্তার ও বাল্কহেডটি সনাক্তকরণে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গতঃ গত শুক্রবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মেঘনা নদীতে ২০-২১ জন যাত্রী বহন করা একটি ট্রলারকে অপর একটি অজ্ঞাত বাল্কহেড ধাক্কা দিলে সাথে সাথে ডুবে যায়। এ ট্রলারটি ব্রাহ্মনবাড়িয়ার আশুগঞ্জে চরসোনারামপুর থেকে মেঘনা নদী দিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব নৌকাঘাটে যাচ্ছিল। এ ঘটনায় রোববার পর্যন্ত  ট্রলারের ৬ যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat