ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১১-১২
  • ৩৪৪৫৫২৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে  শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এখানে শিশু ওয়ার্ডে ২০ শয্যার বিপরীতে১৯৫ রোগী  ভর্তি রয়েছে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগেরই ঠান্ডা-জ্বর, আবার কেউ কেউ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

এ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যা আছে ২০টি। কিন্তু আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এখানে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৯৫।

শয্যার তুলনায় ১০ গুণ বেশি রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। শয্যাসংকটের কারণে অধিকাংশ শিশুকেই হাসপাতালের ওয়ার্ড ও বারান্দার মেঝেতে শুইয়ে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীর স্বজনেরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, জেলায় ঠান্ডা, জ্বর, নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ফলে এ
হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৮০ থেকে ৯০ জন শিশু রোগী ভর্তি হচ্ছে। এ ছাড়া বহির্বিভাগে প্রতিদিন শতাধিক শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মৌসুমী আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে শিশুরা এসব রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

আজ সকালে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড ও এর সামনের বারান্দার মেঝেতে রোগীতে ঠাসা। কোথাও পা ফেলার জায়গা নেই।

বারান্দার পাশে মেডিসিন ওয়ার্ডেও শিশু রোগী রাখা হয়েছে। গাদাগাদি করে সেখানে বিছানা ফেলা হয়েছে। ওয়ার্ডের ভেতরেও ভিড় দেখা গেছে।

বারান্দার মেঝেতে শুইয়ে রাখা আট মাসের শিশু আব্দুল আহাদ পাশে বসে আছেন মা সুফিয়া খাতুন তিনি জানান, কয়েক দিন ধরেই তাঁর ছেলের জ্বর। তবে কোনো উন্নতি না হওয়ায় আজ সকালে তিনি ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। শিশু ওয়ার্ডের নার্স  বলেন, ছাড়পত্রের চেয়ে প্রতিদিন রোগী ভর্তির হার বেশি। শয্যার চেয়ে ১০ গুণ বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। এতসংখ্যক রোগীকে সামাল দিতে খুব কষ্ট হচ্ছে।

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুবিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোঃ রফিউর রহমান  বলেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন, বৃষ্টি, গরম ও ঠান্ডার কারণে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তাদের বেশির ভাগের বয়স এক বছরের মধ্যে। বাড়িতে বড়রা আক্রান্ত হলে শিশুদেরও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এ সময় শিশুদের প্রতি বাড়তি নজর রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার  বলেন, রোগীর তুলনায় চিকিৎসক ও নার্স সংকট রয়েছে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা অবকাঠামো। রোগী রাখার জন্য কোথাও তিল পরিমাণ জায়গা নেই। এতে রোগীদের সমস্যা হচ্ছে। তবে সাধ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat