ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-১২
  • ২৩৪৪৫৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
জর্জিয়ায় তুরস্কের একটি সামরিক পণ্যবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ জন নিহত হয়েছে। আজারবাইজান থেকে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তুরস্ক বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। 

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে আজারবাইজানের পশ্চিমাঞ্চলে গঞ্জা বিমানবন্দর থেকে বিমানটি উড্ডয়ন করে। কিন্তু জর্জিয়ায় পূর্ব  সীমান্ত অতিক্রম করার কিছুক্ষণ পরেই সেটি বিধ্বস্ত হয়। 

ইস্তাম্বুল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমানটিতে ২০ জন আরোহী ছিলেন, যার মধ্যে বিমানের ক্রুও ছিলেন।

তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স অ্যাকাউন্টে নিহতদের ২০টি ছবি পোস্ট করেছেন।

তিনি ওই পোস্টে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের বীর সহযোদ্ধারা ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর আজারবাইজান থেকে তুরস্কে ফিরে আসার জন্য উড্ডয়নকারী আমাদের সি-১৩০ সামরিক পণ্যবাহী বিমান দুর্ঘটনায় শহীদ হয়েছেন।’ 

তবে এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনার কারণ বা বিমানে কতজন আরোহী ছিল, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেয়নি তুর্কি কর্তৃপক্ষ।

তুরস্ক দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে কিছু জানায়নি, তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের তোলা এবং আজারবাইজানি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নাটকীয় ফুটেজে দেখা গেছে যে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সময় বেশ কয়েকটি চক্কর দিয়েছে।

জর্জিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে বিমানটি আজারবাইজানের সঙ্গে জর্জিয়ার রাজ্য সীমান্ত থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে সিঘনাঘি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে।

জর্জিয়ার বিমান পরিবহন নিয়ন্ত্রণ সংস্থা জানিয়েছে, বিমানটি ‘কোনো বিপদ সংকেত প্রেরণ না করে’ তার আকাশসীমায় প্রবেশের কিছুক্ষণ পরেই রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং জরুরি পরিষেবাগুলো দুর্ঘটনার বিষয়ে সতর্ক করে দেয়।

সি-১৩০ হারকিউলিস সামরিক কার্গো বিমানটি মার্কিন নির্মাতা লকহিড মার্টিন-এর  তৈরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat