ব্রেকিং নিউজ :
ভুলবশত গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে ৪ হাজার কোটি ডলারের বিটকয়েন পাঠাল ক্রিপ্টো সংস্থা গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার : প্রেস সচিব সুদানে ত্রাণবহরে ড্রোন হামলায় নিহত ১: জাতিসংঘ হার্ভার্ডের সঙ্গে সব একাডেমিক সম্পর্ক ছিন্ন করবে পেন্টাগন অবশিষ্ট রাজনৈতিক বন্দীদের দ্রুত মুক্তির প্রতিশ্রুতি ভেনেজুয়েলার সংসদ প্রধানের থাইল্যান্ডের সীমান্ত দখলে ক্ষোভে কম্বোডিয়ানরা কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ২ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিজিবির অভিযানে ১২টি অস্ত্র ও গুলিসহ সরঞ্জাম জব্দ বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত, আহত ১৪
  • প্রকাশিত : ২০১৭-০৭-২০
  • ৬৬২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
এটা তার একটা কৌশল !
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কারণে বহুল আলোচিত তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তিসহ পানি সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। এ নিয়ে দু’দেশের শীর্ষ পর্যায়ে অনেকবার আলোচনাও হয়েছে এবং মমতাকে অনুরোধ করার পরও তিনি তার অবস্থানে অনড়। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্টো বাংলাদেশের কাছে আত্রাই নদীর পানি চাইছেন। তিনি বলছেন, বাঁধ নির্মাণের কারণে ভাটিতে (পশ্চিমবঙ্গে) পানিপ্রবাহ কমে গেছে। পানিপ্রবাহ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগের কথা আগে থেকেই বলে আসছেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সার কারখানার দূষণে পশ্চিমবঙ্গের মাথাভাঙ্গা ও চূর্ণি নদী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। গত ৫ জুন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে বাংলাদেশকে নোট ভারবাল দিয়েছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন। গত মে মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সেখানে তিনি বাংলাদেশের এই দুটি বিষয়ে অভিযোগ করেন এবং চিঠিও দেন। তার পরিপ্রেক্ষিতেই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশকে দুটি চিঠি দিয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ভারত আত্রাই নদীতে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার যে অভিযোগ করেছে তা ঠিক নয়। ড্যাম থাকলেও পানি নদীতেই থাকে। পানি অন্য কোনো নদীতে সরিয়ে নেওয়া হয় না। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, গত এপ্রিল মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি সই না করার ঘোষণা দেওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসব বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশকে পানি না দিয়ে এখন উল্টো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পানি না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। এটা তার একটা কৌশল। এ দুটি বিষয় নিয়ে গত মে মাসে যৌথ নদী কমিশনের কারিগরি পর্যায়ের বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে। ভারতের চিঠিতে আত্রাই নদীতে রাবার ড্যাম নির্মাণ করায় ভাটিতে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে একটি যৌথ প্রতিনিধি দল প্রেরণের মাধ্যমে এর সমাধানের কথা বলা হয়েছে। পানিপ্রবাহে কোনো প্রতিবন্ধকতা না রাখার বিষয়েও চিঠিতে বলা হয়েছে। আত্রাই নদী পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি থেকে উৎপত্তি হয়ে পঞ্চগড়ে প্রবেশ করে দিনাজপুর হয়ে আবার পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ২৬৯ কিলোমিটার এবং ভারতের অংশের দৈর্ঘ্য ১২১ কিলোমিটার।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat