ব্রেকিং নিউজ :
জনগণ পুরানো বন্দোবস্তের বস্তাপচা রাজনীতি আর ফিরিয়ে আনতে চায় না: ডা. শফিকুর রহমান মুসলিম বিশ্বকে শিক্ষায় আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নারীদের এগিয়ে আনতে রাজনৈতিক দলগুলোর বড় ভূমিকা প্রয়োজন : জাইমা রহমান পাহাড় ও সমতলের ব্যবধান ঘুচাতে ই-লার্নিং হবে শক্তিশালী হাতিয়ার : সুপ্রদীপ চাকমা এমন প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না যা মানুষের সাধ্যের বাইরে: তারেক রহমান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ বিটিসিএল এমভিএনও সিম এবং ট্রিপল প্লে সেবার উদ্বোধন ‘বন্দরে ধর্মঘটের ইস্যুতে সরকার হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে’ বিএনপির ৭ নেতার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য শুল্ক সমন্বয়ে ২৫টি বোয়িং কেনার প্রস্তাব বিমানের
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৬-২১
  • ৩৫৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বিচ্ছিন্নতাবাদী অভিবাসন নীতি পাল্টালেন ট্রাম্প
আন্তর্জতিক ডেস্ক:-  চরম সমালোচনা ও চাপের মুখে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিচ্ছিন্নতাবাদী অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এ বিষয়ে নতুন একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। আদেশ অনুসারে, এখন থেকে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের, তাদের পরিবার থেকে আলাদা করা হবে না। খবর আল জাজিরার।
খবরে বলা হয়, ১৯৯৭ সালের এক মার্কিন আইন অনুযায়ী, অবৈধ অভিবাসনের অভিযোগে (বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকলেও) শিশুদের ২০ দিনের বেশি আটকে রাখা যাবে না। ট্রাম্পের জ়িরো টলারেন্স নীতি সেই আইনও মানেনি। এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনকে। এমনকি এই নীতির সমালোচনা করেছেন ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প ও মেয়ে ইভানকা  ট্রাম্প।
বৈধ কাগজপত্র ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা বাবা-মায়ের কাছ থেকে সন্তানদের আলাদা রাখার নীতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়ার পর ট্রাম্পের এই নির্বাহী আদেশ এল।
ট্রাম্প নতুন এই আদেশ নিয়ে বলেন, আমাদের সীমান্তে কড়াকড়ি অব্যাহত থাকবে। কিন্তু আমরা পরিবারগুলোকে এক সাথে রাখবো।
তিনি জানান যে, পরিবার থেকে শিশুদের বিচ্ছিন্ন করা তার পছন্দ নয়। তবে তিনি এটাও জানান যে, অভিবাসনের ওপর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে।
ট্রাম্প পূর্বে দাবি করেন যে, এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মূলত ওবামা আমলে গৃহীত আইনের ফল।  তিনি বলেন, এটি একটি জঘন্য আইন, কিন্তু এর জন্য আমি দায়ী নই।
তবে ট্রাম্প দাবি করলেও শিশুদের বিচ্ছিন্ন করার কোনো আইন মার্কিন কংগ্রেস কখনোই গ্রহণ করেনি। ওবামা প্রশাসনও এমন কোনো নীতি অনুসরণ করেনি। ২০১৪ সালে এ-জাতীয় একটি প্রস্তাব ওবামার হোয়াইট হাউসে আলোচিত হয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ গৃহীত হয়নি।
ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির আওতায় পরিবার থেকে বিচ্ছন্ন হওয়া শিশুরা
ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আইনমন্ত্রী জেফ সেশন্স ও ট্রাম্পের অন্যতম উপদেষ্টা স্টিভেন মিলার এই নিয়মের পক্ষে ওকালতি করে আসছেন। সেশন্স এমনকি বাইবেল থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, ঈশ্বর এই নিয়মের পক্ষে। আমেরিকার খ্রিষ্টান নেতৃবৃন্দ অবশ্য সে দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এদিকে, নতুন নির্দেশ জারি হলেও জ়িরো টলারেন্স নীতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সিনেটর জেফ মার্কলি বলেন, এই নির্দেশ জারি কোন ইতিবাচক সমাধান নয়। তিনি আরো বলেন, শিশুদের ও তাদের পরিবারকে বন্দিশালায় আটকে রাখা অগ্রহণযোগ্য ও আন-আমেরিকান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat