ব্রেকিং নিউজ :
পিরোজপুরে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে রমজানের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থমন্ত্রীর অগ্রাধিকার : প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাই মিলে দেশ গড়ব : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নতুন মন্ত্রী আফরোজা ও প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও স্থানীয় সরকারকে গতিশীল করাই মূল লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের সমস্যা সমাধান ছাড়া গণমাধ্যমের উন্নয়ন সম্ভব নয় : তথ্যমন্ত্রী প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে সভাপতিত্ব করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাই বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৮-০৫
  • ৯৬১৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অন্তত ৪২৫ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে মালয়েশিয়া। দেশটির ইমিগ্রেশন অফিসাররা কুয়ালামপুরের চেরাসের একটি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে। এর মধ্যে ২৫২ বাংলাদেশি রয়েছে বলে জানিয়েছে ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক শামসুল বাহরিন মহসিনের মতে, চেরিয়া হাইটস অ্যাপার্টমেন্টে অভিযানটি দুই সপ্তাহ ধরে তদন্ত ও নজরদারির পর চালানো হয়েছিল।
শামসুল বলেন, বাসিন্দারা এলাকায় বিদেশিদের সংখ্যা নিয়ে অভিযোগ করেছেন। তারা এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করতো বলেও জানা গেছে।
তিনি বলেন, ‘আজ রাত (শুক্রবার) ১ টা থেকে ৪ টার মধ্যে ৬০ জন কর্মী এই অভিযানে পরিচালনা করেন। বৈধ ডকুমেন্টস না থাকা কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ অস্থায়ী ওয়ার্ক পারমিট থাকায় মোট ৪২৫ জনকে আটক করা হয়েছে।’
অভিযানের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ২৫২ জন বাংলাদেশি, ১০৮ জন মিয়ানমারের, দুজন ফিলিপাইনের, ৩০ জন ইন্দোনেশিয়ান, ছয়জন কম্বোডিয়ান, ২০ জন নেপালি এবং ৭ জন পাকিস্তানি। সকলের বয়স ৮ থেকে ৫৪ বছরের মধ্যে।’
আটককৃতরা নির্মাণ ও পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন শিল্পে কাজ করেন বলে শামসুল জানিয়েছেন। অভিযানের সময় আটককৃতদের মধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তার এড়াতে বোতলসহ বিভিন্ন জিনিস ছুড়ে আক্রমণাত্মক আচরণ করলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ইউএনএইচসিআর কার্ড এবং যাদের বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছিল তাদেরও তুলে নিয়েছে কর্মকর্তারা। মিয়ানমার নাগরিকদের জন্য সমিতি বা জাতিগততার ভিত্তিতে কার্ড ছিল কিন্তু সেগুলোর বৈধতা ছিল না।
আটক সকলকে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বুকিত জলিল অভিবাসন আটক কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ১৫(১)(গ) এবং ৬(১)(গ) ধারায় মামলাটির তদন্ত করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat