ব্রেকিং নিউজ :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিজিবির অভিযানে ১২টি অস্ত্র ও গুলিসহ সরঞ্জাম জব্দ বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত, আহত ১৪ খাগড়াছড়ির ৩টি কেন্দ্রে ভোটের সামগ্রী ও জনবল যাবে হেলিকপ্টারে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির পুরোনো রাজনৈতিক শক্তিগুলো নতুন মোড়কে বিভ্রান্তের চেষ্টা করছে : চরমোনাইর পীর পাকিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৩০ বাংলাদেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায় : নাহিদ ইসলাম নতুন নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ভিনদেশি প্রভাবে নয়, দেশের জনগণের সিদ্ধান্তেই রাজনীতি হওয়া উচিত : কর্ণেল অলি
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০৫-০৬
  • ৩৪৪৫৫০১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি : সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জে আলোচিত হকার জুবায়ের হত্যা মামলায় ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাসেল হোসেন পলাতক থাকলেও বাকিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিল।

মামলার ৮ আসামীর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪ জন হলেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ বরুমদী এলাকার আব্দুস সামাদ মুন্সীর ছেলে মো. ইকবাল হোসেন (৩৭), বন্দরের নূর ইসলামের ছেলে মো. স্বপন (৪৯), কুমিল্লার মুরাদনগর এলাকার মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে সায়মন ওরফে ইউনুস মিয়া (২৬) ও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ এলাকার মো. মুহিতুর রহমানের ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন সানি (২৭)। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুমিল্লার বাঙ্গারা বাজার এলাকার মো. রাসেল হোসেন (২৭) ও মুরাদনগর এলাকার মো. কবির হোসেনের ছেলে মো. হাছান আল মামুন (২২) । হকার লীগ নেতা আসাদুল ইসলাম আসাদ এবং মহসিন বেপারি আদালতের রায়ে খালাস পেয়েছেন।

নিহত জুবায়ের ফতুল্লার উত্তর মাসদাইরের বাসিন্দা আমজাদ হোসেনের ছেলে।

আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মাছুদা বেগম শম্পা বলেন, ২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের বলাকা পেট্রোল পাম্পের সামনে ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে নিহত হন হকার জুবায়ের। এটি নারায়ণগঞ্জের একটি আলোচিত হত্যা মামলা। এ ঘটনায় নিহত জুবায়েরের মা মুক্তা বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় ৮ জনকে আসামি করে মামলা করেন। সেই মামলায় আদালত এই রায় ঘোষণা করেছেন।

মামলার বাদী মুক্তা বেগম বলেন, সংসারের আর্থিক সহযোগিতার জন্য আমার একমাত্র ছেলে জুবায়েরকে ফুটপাতে দোকানে কাজে দেই। আমার ছেলে মাদরাসায় পড়ালেখার পাশাপাশি এখানে কাজ করতো। আমার সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আদালতের রায়ে আমি সন্তুষ্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat