ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০৫-০৬
  • ৩৪৪৫৫৪৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি : সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জে আলোচিত হকার জুবায়ের হত্যা মামলায় ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাসেল হোসেন পলাতক থাকলেও বাকিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিল।

মামলার ৮ আসামীর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪ জন হলেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ বরুমদী এলাকার আব্দুস সামাদ মুন্সীর ছেলে মো. ইকবাল হোসেন (৩৭), বন্দরের নূর ইসলামের ছেলে মো. স্বপন (৪৯), কুমিল্লার মুরাদনগর এলাকার মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে সায়মন ওরফে ইউনুস মিয়া (২৬) ও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ এলাকার মো. মুহিতুর রহমানের ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন সানি (২৭)। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুমিল্লার বাঙ্গারা বাজার এলাকার মো. রাসেল হোসেন (২৭) ও মুরাদনগর এলাকার মো. কবির হোসেনের ছেলে মো. হাছান আল মামুন (২২) । হকার লীগ নেতা আসাদুল ইসলাম আসাদ এবং মহসিন বেপারি আদালতের রায়ে খালাস পেয়েছেন।

নিহত জুবায়ের ফতুল্লার উত্তর মাসদাইরের বাসিন্দা আমজাদ হোসেনের ছেলে।

আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মাছুদা বেগম শম্পা বলেন, ২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের বলাকা পেট্রোল পাম্পের সামনে ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে নিহত হন হকার জুবায়ের। এটি নারায়ণগঞ্জের একটি আলোচিত হত্যা মামলা। এ ঘটনায় নিহত জুবায়েরের মা মুক্তা বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় ৮ জনকে আসামি করে মামলা করেন। সেই মামলায় আদালত এই রায় ঘোষণা করেছেন।

মামলার বাদী মুক্তা বেগম বলেন, সংসারের আর্থিক সহযোগিতার জন্য আমার একমাত্র ছেলে জুবায়েরকে ফুটপাতে দোকানে কাজে দেই। আমার ছেলে মাদরাসায় পড়ালেখার পাশাপাশি এখানে কাজ করতো। আমার সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আদালতের রায়ে আমি সন্তুষ্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat