ব্রেকিং নিউজ :
সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা : মৎস্য উপদেষ্টা আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ভোট দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান মহা আনন্দের ও মুক্তির দিন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক সুযোগ : প্রধান উপদেষ্টা রাজবাড়ীতে ভোটের উৎসবে মেতেছেন ভোটাররা চট্টগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে সারাদেশে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ দেশে আর কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না: সিইসি জয়ের ব্যাপারে আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী : তারেক রহমান ভোট নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হলে আমরা ফল মেনে নেব : জামায়াত আমীর অত্যন্ত সুন্দরভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে : ইসি সানাউল্লাহ
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৩-২৮
  • ২৬১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
যুদ্ধাপরাধে নেত্রকোনার মজিদ মাওলানাসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
নিউজ ডেস্ক:-মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধের মামলায় নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার শেখ মো. আব্দুল মজিদ ওরফে মজিদ মাওলানাসহ পাঁচ জনের মৃত্যুদন্ড দিয়ে আজ রায় ঘোষণা করেছে ট্রাইব্যুনাল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনানের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ এ রায় ঘোষণা করেন। আসামীদের মধ্যে শেখ মো. আব্দুল মজিদ ওরফে মজিদ মাওলানা ছাড়াও অপর চার আসামি হলেন-মো. আব্দুল খালেক তালুকদার, মো. কবির খান, আব্দুস সালাম বেগ ও নুরউদ্দিন। এদের সবাই বর্তমানে পলাতক। আজ ২৪০ পৃষ্ঠার রায়ের সংক্ষিপ্তসার পড়া হয়। এর আগে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে গত ২৮ জানুয়ারি মামলাটি যেকোনো দিন রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আদেশ দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ রায় ঘোষণার তারিখ গতকাল বুধবার ধার্য করে দেয় ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মোখলেছুর রহমান বাদল ও সাবিনা ইয়াসমিন মুন্নি। আর আসামিদের পক্ষে (ষ্ট্যাট ডিফেন্স) ছিলেন এডভোকেট গাজী এম এইচ তামিম। এই মামলার আসামি ছিলেন সাতজন। তাদের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান আহাম্মদ আলী (৭৮)। আর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় মারা যান আরেক আসামী আব্দুর রহমান। আসামীদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে হত্যা, গণহত্যা, অপহরণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাতটি অভিযোগ আনা হয়। ১৯৭১ সালের ২১ আগস্ট দুপুর একটায় রাজাকার বাহিনী নিয়ে বাড়হা গ্রামের আব্দুল খালেককে গুলি করে হত্যার পর কংস নদীর পানিতে মরদেহ ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগে মামলা রয়েছে। শহীদ আব্দুল খালেকের ছোট ভাই মুক্তিযোদ্ধা আ. কাদির বাদী হয়ে ২০১৩ সালে চার রাজাকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেও পরে তদন্তে আরও তিন জনের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে মোট আসামী হয় সাতজন। বিচার চলাকালে এ মামলার দুই আসামী মারা যান। আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত সাতটি অভিযোগই প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে প্রসিকিউশন। এটি মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধের মামলায় ৩৬ তম রায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat