ব্রেকিং নিউজ :
হরমুজ প্রণালির দুই প্রান্তে আটকা শত শত জাহাজ রাজপথ ও সংসদে শক্ত অবস্থানে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০২-০৮
  • ৬৫৬৫৭৭৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
হন্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট নাসরি আসফুরার সঙ্গে বৈঠকের পর তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

শনিবার ফ্লোরিডায় নিজের মার-আ-লাগো রিসোর্টে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

রক্ষণশীল ব্যবসায়ী ও হন্ডুরাসের রাজধানী তেগুসিগালপা’র সাবেক মেয়র আসফুরা গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে গত সপ্তাহে শপথ নেন। 

ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারে তাকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছিলেন।

এমনকি, আসফুরা পরাজিত হলে, মধ্য আমেরিকার দরিদ্রতম দেশ হন্ডুরাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা বন্ধ করারও হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লেখেন, ‘আমি আমার বন্ধু ও হন্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট নাসরি ‘টিটো’ আসফুরার সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক করেছি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমি তাকে শক্ত সমর্থন দেওয়ার পরই তিনি নির্বাচনে জয়ী হন। টিটো ও আমি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অনেক মূল্যবোধে একমত। নিরাপত্তা বিষয়ে আমাদের ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব রয়েছে।’

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান ট্রাম্প।

রোববার এই বৈঠকটি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে পারেন আসফুরা।

হন্ডুরাসের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় দুই নেতার একটি ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে তাদের হাসিমুখে ‘থাম্বস আপ’ দিতে দেখা গেছে।

এর আগে, গত ১২ জানুয়ারি আসফুরা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকের পর দুই দেশ একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পরিকল্পনার ঘোষণা দেয়।

আসফুরার জয়ের মাধ্যমে লাতিন আমেরিকায় আরেকজন মিত্র পেলেন ট্রাম্প। 

সাম্প্রতিক সময়ে চিলি, বলিভিয়া, পেরু ও আর্জেন্টিনায় অপরাধ ও দুর্নীতি বিরোধী প্রচারে জোর দেওয়া রক্ষণশীলরা বামপন্থীদের ক্ষমতা থেকে সরিয়েছে।

ওয়াশিংটনের প্রভাব বলয়ে থাকা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখবে, না কি বেইজিংয়ের সঙ্গে— এই সিদ্ধান্ত নিতে চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প।

হন্ডুরাসের নির্বাচনের আগের দিন ট্রাম্প আকস্মিকভাবে সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরলান্ডো হার্নান্দেজকে ক্ষমা করে দেন। 

আসফুরার দলভুক্ত হার্নান্দেজ যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের দায়ে ৪৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন।

হার্নান্দেজের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ৪০০ টন কোকেন পাচারে সহায়তার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায় হয়েছিল।

ক্যারিবীয় অঞ্চলে কথিত মাদকবাহী নৌযান ধ্বংস ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন মাদক পাচারের অভিযুক্ত করে চাপ বাড়ানোর মধ্যেই হার্নান্দেজকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প। 

এ কারণে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat