ব্রেকিং নিউজ :
জাহাজ বাড়ি মামলায় হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ গ্রিনল্যান্ডে হাসপাতাল জাহাজ পাঠানোর ঘোষণা ট্রাম্পের পার্বত্য চট্টগ্রামকে দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন করার ঘোষণা দিলেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান রুশ আক্রমনের বার্ষিকীর আগে ইউক্রেনের রাজধানীতে আবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে সরকার : তথ্যমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংকটে ম্লান লিবিয়ার রমজান উদযাপন লালমনিরহাটে কর্মকর্তাদের সঙ্গে ত্রাণ মন্ত্রীর মতবিনিময় সুদানের চাদ সীমান্তে আল-টিনা শহর দখলের দাবি আরএসএফের অস্ট্রিয়ায় তুষারধসে আরও ২ জন নিহত : পুলিশ
  • প্রকাশিত : ২০২২-১২-২১
  • ২৭৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি ঘোষিত ২৭ দফা যুদ্ধাপরাধীদের আরেক দফা স্বীকৃতির দলিল বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় ১৪ দলীয় জোটের নেতারা।
তারা বলেন, দালাল আইন বাতিল করে জিয়াউর রহমানের মত যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি ও সমাজে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিল। তাদের রেইনবো নেশনের অর্থই হচ্ছে পরাজিত শক্তিকে ও খুনি অপরাধীদের আরেক দফা রাষ্ট্র ও সমাজের স্বীকৃতি দান।
আজ বুধবার বিকেলে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র  আমির হোসেন আমু এমপি জোটের পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। আমির হোসেন আমুর  নিউ ইস্কাটনের বাসায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 
আমির হোসেন আমু বলেন, ‘এই দুটি প্রশ্ন বহু আগেই মিটমাট হয়ে গেছে। আবার নতুন করে করার কোন প্রয়োজন নাই।’ 
বিএনপির ২৭ দফার অন্যান্য বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদের শাসনামলেরই অভিজ্ঞতা দেশবাসীর জানা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিএনপির এই রাজনীতি জনগণ অতীতে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এবারও করবে। তাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলনে শরিক হয়েছে তারাও আমাদের অজানা নয়। খুবই ক্ষুদ্র স্বার্থে এক হয়েছেন। দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ এর থেকে দুরে থাকবেন বলে আশা প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা। 
১৪ দল জোটগতভাবে মাঠে কর্মসূচি পালন করবে কি এমন প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন আমু বলেন, আমরা আমাদের রাজনৈতিক ধারা নিয়ে মাঠে থাকব। এই ধারার বিপরীত অবস্থানে বিরোধিতা করব। তারা এর আগে ১০ দফা, ১৪ দফাসহ বিভিন্ন ধরনের দফা দিয়েছিল। এগুলো নতুন কিছু না। তাদের এ আন্দোলন নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথা নেই। 
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ চেতনায় বিশ্বাসী বা প্রগতিশীল হলে জামায়াতের সঙ্গে তারা যুগপৎ আন্দোলন করত না। যারা যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা দেয় তারা প্রগতির ধারার মধ্যে আছে বলে মনে করি না।’ 
রাষ্ট্র সংস্কার রেইনবো নেশনের নামে রাজাকার, জঙ্গি, জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীদের ঐক্যের কালো দলিল বলে মনে করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের (একাংশ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ‘কালো দলিল যারা সমর্থন করছে তারা আর যাই হোক বাম বা প্রগতিশীল ঘরানার লোক হতে পারে না। তারা বিচ্যুত। ২৭ দফা ও ১০ দফা কার্যত বাহাত্তরের সংবিধানকে বানচাল করার সুকৌশল প্রস্তাব। যারা এটা সমর্থন করে তারা গণতান্ত্রিকও না, প্রগতিশীলও না।’ 
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃনাল কান্তি দাস, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ওয়াজেদুল ইসলাম খান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেন, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বাশার মাইজভান্ডারী, জাতীয় পার্টি জেপির প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহম্মেদ মুক্তা, গণ আজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এসকে সিকদার, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশিদ খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat