ব্রেকিং নিউজ :
সেবা নিতে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনের নির্দেশ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বিশৃঙ্খলা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: আবু সাইদ চাঁদ অবৈধ সম্পদ অর্জন, সন্দ্বীপের সাবেক এমপি মিতা’র বিরুদ্ধে দুদকের মামলা চুয়াডাঙ্গায় ফ্লাওয়ার মিল মালিককে জরিমানা পিরোজপুরে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে রমজানের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থমন্ত্রীর অগ্রাধিকার : প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাই মিলে দেশ গড়ব : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নতুন মন্ত্রী আফরোজা ও প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৭-১৩
  • ৭০০৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার সংক্রান্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার সংশোধনীর নির্দেশনা স্থগিত করেননি সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। 
এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন আদালতের আদেশের বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, নির্দেশনাগুলো বিদ্যমান আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। আদালত আমাদের লিভ (আপিল দায়েরের অনুমতি) দিলেন। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ আজ এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন এটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অনীক আর হক।
১৯৯৮ সালে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে বেসরকারি ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র শামীম রেজা রুবেলকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ২৩ জুলাই মিন্টো রোডের গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে মারা যান রুবেল।
প্রায় একই সময়ে সীমা চৌধুরী নামের এক তরুণী চট্টগ্রামের রাউজানে পুলিশ হেফাজতে ধর্ষণের শিকার হন ও মারা যান। অরুণ চৌধুরী নামের এক যুবক রাজধানীর মালিবাগ থানায় পুলিশ হেফাজতে মারা যান।
এরপর তৎকালীন সরকার রুবেল হত্যা তদন্তের জন্য বিচারপতি হাবিবুর রহমান খানের সমন্বয়ে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত শেষে কমিটি ৫৪ ও ১৬৭ ধারা সংশোধনের পক্ষে কয়েকটি সুপারিশ করে। এ সুপারিশ বাস্তবায়িত না হওয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) হাইকোর্টে রিট করে। ওই রিট মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল এ ব্যাপারে কয়েক দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।
রায়ে ছয় মাসের মধ্যে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার ও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রচলিত বিধান সংশোধন করতে নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি ওই ধারাগুলো সংশোধনের আগে কয়েক দফা নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সরকারকে বলা হয়।
এর বিরুদ্ধে আপিলে যান রাষ্ট্রপক্ষ। আপিল আবেদনে বলা হয়, এ দুটি ধারা সংশ্লিষ্ট যে আইন রয়েছে, তা যথেষ্ট ও সঠিক। এজন্য আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের কোনো প্রয়োজন নেই।
২০০৪ সালে আপিল বিভাগ সরকারের লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) মঞ্জুর করেন। তবে হাইকোর্টের ওই নির্দেশনাগুলো স্থগিত করেননি। দীর্ঘদিন পরে ২০১৬ সালের ১৭ মে আপিল শুনানি শেষে ২৪ মে রায় ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ। এরপর একই বছরের ১০ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে ৩৯৬ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়। রায়ে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার (৫৪ ধারা) নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ১০ দফা নীতিমালা করে দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট।
পরে এ রায়ের পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। সে বিষয়টি আদালতে আজ শুনানি হয়। 
এটর্নি জেনারেল আজ বলেন, যে আদেশের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আপিল করা হয়েছে, সে আপিলের যৌক্তিকতা আদালতে শুনানিতে তুলে ধরা হয়েছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat