ব্রেকিং নিউজ :
সেবা নিতে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনের নির্দেশ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বিশৃঙ্খলা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: আবু সাইদ চাঁদ অবৈধ সম্পদ অর্জন, সন্দ্বীপের সাবেক এমপি মিতা’র বিরুদ্ধে দুদকের মামলা চুয়াডাঙ্গায় ফ্লাওয়ার মিল মালিককে জরিমানা পিরোজপুরে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে রমজানের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থমন্ত্রীর অগ্রাধিকার : প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাই মিলে দেশ গড়ব : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নতুন মন্ত্রী আফরোজা ও প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৭-১৫
  • ৪৫৯৫৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
দিনাজপুর জেলায় হিলির পাইকারী বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ কেজিতে নামলো ২৩ থেকে ২৬ টাকায়। এতে নিম্মআয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। 
আজ শনিবার দিনাজপুরসহ ও হিলি স্থলবন্দর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। এদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারীতে ২৩ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে।  
দিনাজপুর শহরে বাহাদুর বাজার পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দীন জানান, আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করছে। আমদানির পর থেকে ৫০ থেকে ৬০ টাকার পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ২৩ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে। ভারতীয় পেঁয়াজের দাপটে দেশীয় পেঁয়াজ বাজার থেকে উধাও হয়েছে। বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যে ২০ থেকে ২২ টাকা কেজিতে নামে আসবে পেঁয়াজের দাম।  
অপরদিকে কাঁচা মরিচ বিক্রেতা বিপ্লব শেখ জানান, কাঁচা পণ্য সকালে বাড়ে, বিকেলে কমে। আমরা বেশি দামে কিনলেই বেশি বিক্রি করি। আবার কম দামে কিনলে কম দামেই বিক্রি করে থাকি। সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কিছুটা কম হয়। ২ দিন আগে কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা থেকে ১২০ কেজিতে দরে বিক্রয় হয়েছে। আজ শনিবার সেই কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। কেজিতে বেড়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। তবে সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম আরও কমে আসবে।
এদিকে দিনাজপুর কৃষি অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক নুরুজ্জামান মিয়া জানান, বর্ষাকালিন সময়ে জেলার উচু এলাকায় যে মরিচের চাষ হয় ওই মরিচ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাজারে নামবে। এই মরিচ সরবরাহ হলে মরিচের দাম এত উর্ধ্বমুখী থাকবে না। গ্রাহকের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে মরিচের দাম থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat