ব্রেকিং নিউজ :
সংসদই হবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠক কাল বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান, ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান শপথ নিলেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের মাগফিরাত কামনায় কোরআন প্রতিযোগিতা চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ভোক্তা অভিযানে ৭ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ২৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৯-২০
  • ৮১৯১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ কৃষি অফিস উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের বিরতুল ও গাড়ারিয়া গ্রামকে নিরাপদ সবজির গ্রাম ঘোষণা করেছে। 
গ্রাম দুটিতে চাষিরা কোনো প্রকার বালাইনাশক ছাড়াই বিভিন্ন কৃষিপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সবজি চাষ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে এখানে চাষ করা কাকরোলের বেশ চাহিদা রয়েছে। রাজধানীসহ দেশের আশপাশের বাজারগুলোর চাহিদা মিটিয়েও যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে।
কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের বালু নদী তীরবর্তী গ্রাম বিরতুল ও গাড়ারিয়া। ঢাকার লাগোয়া এ উপজেলার গ্রাম দু’টির নিরাপদ সবজির চাহিদা দেশজুড়ে। বিশেষ করে এ গ্রামে চাষ করা কাকরোল উৎপাদন আশেপাশের গ্রামের চাষিদের অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। কাকরোল চাষে গ্রামগুলোর চাষিদের সফলতায় একই ইউনিয়নের বাগদী, পারওয়ান ও পানজোরা গ্রামের চাষিরাও বিষমুক্ত সবজি কাকরোল চাষ করছেন।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সেক্স ফেরোমান ফাঁদ, হলুদ স্টিকি ট্র্যাপ, হাত পরাগায়ন, আইপিএ প্রযুক্তি, ব্যাগিং, সুস্থ ও ভালো বীজ, সুষম সার, মালচিং, ভার্মি কম্পোস্ট এবং জৈব বালাইনাশকের মাধ্যমে বিরতুল ও গাড়ারিয়া গ্রামে নিরাপদ সবজি কাকরোল চাষ হচ্ছে। দুই গ্রামসহ আশেপাশের গ্রামের চাষ করা বিষমুক্ত সবজি কাকরোলের বেশ চাহিদা থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেও পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের বিরতুল গ্রামের কাকরোল চাষি কালিপদ চন্দ্র দাস  বলেন, ‘আমি এ বছর সোয়া বিঘা জমিতে কাকরোল চাষ করেছি। ৭০-৮০ হাজার টাকা খরচ করে প্রায় ২ লাখ টাকার মতো আয় করেছি। স্থানীয় কৃষি অফিসের বিভিন্ন পরামর্শ নিয়ে কাকরল চাষে বেশ উৎসাহ পাচ্ছি।
একই গ্রামের কাকরোল চাষি প্রমেশ চন্দ্র দাস  বলেন, ‘কাকরোলের চাহিদা থাকায় পাইকাররা বাড়ি থেকে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে বাজারে নিয়ে যাওয়ার ঝামেলা থাকছে না। যাতায়াত খরচও কমে যাচ্ছে। ফলে আমাদের লাভের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে।’ এছাড়া কথা হয়, বাগদী, পারওয়ান ও পানজোরা গ্রামের কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে। তারা জানান, শুধু নিরাপদ সবজির গ্রাম নয়; কালীগঞ্জ পৌরসভাসহ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত একটি করে নিরাপদ সবজি বাজার করা জরুরি। তাহলে কৃষকেরা সিন্ডিকেটের বাইরে গিয়ে ন্যায্য মূল্যে সবজি বিক্রি করতে পারবেন। কালীগঞ্জ উপ-সহকারী (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান  বলেন, ‘আমরা বিরতুল ও গাড়ারিয়া গ্রামের কাকরোল চাষিদের বিভিন্ন সময় পরামর্শ দিয়ে থাকি। গ্রাম দু’টিতে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে জৈব বালাইনাশকের মাধ্যমে কাকরোল উৎপাদন করা হচ্ছে। দেশের বাইরের চাহিদার কথা চিন্তা করে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি এবং বিভিন্ন সহযোগিতা করছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারজানা তাসলিম  বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন সবজি হিসেবে এটি জনপ্রিয়। সাধারণ খরিপ-১ এবং খরিপ-২ মৌসুমে সবজিটি চাষাবাদ করা হয়। কালীগঞ্জ উপজেলার একটি সম্ভাবনাময় ফসল কাকরোল। কারণ এটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। এছাড়া বিরতুল ও গাড়ারিয়া গ্রামকে নিরাপদ সবজির গ্রাম ঘোষণা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat