ব্রেকিং নিউজ :
শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সরকার ৩ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ইউনিসেফের মাধ্যমে ইপিআই টিকা সংগ্রহ করবে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব নাহিদের জাটকা উৎপাদন বাড়াতে গবেষণায় বিজ্ঞানীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বাউল দর্শন বাংলার মানবিক ও প্রগতিশীল সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ : সংস্কৃতি মন্ত্রী গুম আইনের সাথে সমন্বয় করে শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ জবিতে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও জেন্ডার সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার হাসিনা ও কামালকে ফেরত চায় বাংলাদেশ
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৬-০৮
  • ৪৩৪৫৪৭১০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, যারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তারা জীবনবাজি রেখে আমাদেরকে এ দেশটা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। সেই মুক্তিযোদ্ধার প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম অর্থাৎ তাদের সন্তানদের জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক কোটার যে বিষয়টি ছিল, সেটা যথাযথ প্রতিপালনের ক্ষেত্রে অনেক জায়গায় অমনোযোগিতা ও অমান্য করা হচ্ছে। সে বিষয়ে উচ্চ আদালত থেকে একটি নির্দেশনা এসেছিল। আমরা সবাইকে অনুরোধ জানাব উচ্চ আদালতের রায়ের প্রতি ও নির্দেশনার প্রতি সবাই যথাযথভাবে সম্মান দেখাবেন।
শনিবার (৮ জুন) চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম হলে জেলা প্রশাসনের ভূমিসেবা সপ্তাহ-২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেহেতু আদালতের রায় এখনো সুনির্দিষ্টভাবে আমার হাতে আসেনি বা পড়ে দেখতে পারিনি; তাই সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য আমি করছি না। তবে এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে মুক্তিযুদ্ধের এত সময় পরে এসেও তাদের সন্তানদের জন্য রাখা কোটার প্রশ্নে কিছু মানুষের এত উষ্মা, তা খুবই দুঃখজনক। দেশ যারা স্বাধীন করে দিয়েছেন তাদের সন্তানদের দিয়ে তারা যদি দ্বিতীয়বার প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে এটা কোনোভাবে কাম্য নয়।
কর্ণফুলী নদীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, আমি এখনো অবগত নই। হঠাৎ নদীর মধ্যবর্তী জায়গায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হবে। সেটি আমার যে সাধারণ দৃষ্টি, সেটিতে নদীর জন্য কখনো ভালো ফল বয়ে আনতে পারে না। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরিবেশ সংক্রান্ত ক্লিয়ারেন্স নিয়েছে কিনা সেটাও আমাদের দেখতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোন প্রকল্প করা সেটা যথাযথ নয়। এই বিষয়ে আমি পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলব।  
তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশ যাতে দূষণ না হয় সেজন্য শিল্পনগরী গড়ে দিয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় শিল্পনগরী মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরী। সেখানে বিশাল একটি এলাকার শিল্পায়ন এবং শিল্প সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। সে হিসাবে আমি বলতে পারি, পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ যাতে আমরা না করি। 
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে নদী যে ব্যবস্থাপনা এবং পানির যে বিশুদ্ধতা, দূষণমুক্ত রাখা এবং নদীর চলাচলের উপযুক্ত রাখা, এ বিষয়ে তো শুধু আমাদের নির্বাহী বিভাগ বা সরকার নয়, বিচার বিভাগ থেকেও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা আছে। নদী রক্ষা করতে হবে। নদীর বহমান ধারা এবং সেটাকে বিশুদ্ধতা ডাকার প্রশ্নে সবাই ঐকমত্য আছে। শুধু আমার নির্বাচনী এলাকা বলে নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে কর্ণফুলী নদীর মাঝে বর্জ্য ফেলা হবে ও নিষ্কাশন করা হবে এবং বর্জ্য থেকে কি শিল্পায়িত কাজ করা হবে, সেটা কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, পরিবেশের জন্য এবং নদীর পরিবেশের জন্য সেটা ভেবে দেখা প্রয়োজন। 
শিক্ষা কারিকুলামে সব ধর্মের প্রতি সম্মানের ভূমিকা শক্তিশালী থাকবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা সবসময় বলে এসেছি শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষা প্রক্রিয়া, পাঠদান ব্যবস্থা ও পাঠক্রমের মধ্যে সবসময় সব ধর্মের প্রতি সম্মান এবং শ্রদ্ধার জায়গাটাতে আমরা সবসময় শক্তিশালী ভূমিকায় থাকব। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো কাজ শেখ হাসিনা সরকার কখনো করেনি, আগামীতেও করবে না। কিছু কিছু বিষয় তারা বিতর্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন সেগুলো অবশ্যই আমরা নিরসন করব।
শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, সেটা আমরা বিবেচনা করছি ঈদুল আজহার পরে। কারণ ঘূর্ণিঝড়ের সময়ও আমাদের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হয়েছিল। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat