ব্রেকিং নিউজ :
মুসলিম বিশ্বকে শিক্ষায় আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নারীদের এগিয়ে আনতে রাজনৈতিক দলগুলোর বড় ভূমিকা প্রয়োজন : জাইমা রহমান পাহাড় ও সমতলের ব্যবধান ঘুচাতে ই-লার্নিং হবে শক্তিশালী হাতিয়ার : সুপ্রদীপ চাকমা এমন প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না যা মানুষের সাধ্যের বাইরে: তারেক রহমান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ বিটিসিএল এমভিএনও সিম এবং ট্রিপল প্লে সেবার উদ্বোধন ‘বন্দরে ধর্মঘটের ইস্যুতে সরকার হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে’ বিএনপির ৭ নেতার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য শুল্ক সমন্বয়ে ২৫টি বোয়িং কেনার প্রস্তাব বিমানের সারাদেশে গণভোট ও নির্বাচন-২০২৬ সম্পর্কে প্রচার করছে তথ্য মন্ত্রণালয় : তথ্যসচিব
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১০-০৪
  • ২৩৪৩৪৪৬১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি রাজ্যে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে হারিকেন হেলেন। ভয়াবহ দুর্যোগটিতে প্রাণহানির সংখ্যা ২১০ জন ছাড়িয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার বলেছেন, অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ে এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখ-ে আঘাত হানা দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাণঘাতি ঝড়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাশেভিল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল সফরের দ্বিতীয় দিনে মর্মান্তিক এই দুর্যোগে কয়েক লাখ মানুষের জীবন বিপর্যস্ত করে তোলা ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত এক অঞ্চল পরিদর্শন করেন ও ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেন। জর্জিয়ার রে সিটিতে ক্ষতিগ্রস্ত পেকান খামারে কিছুক্ষণ থেকে বাইডেন বলেন, আমি আপনাদের দেখছি, শুনছি, আমি সহমর্মিতা জানাচ্ছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমরা আপনাদের পাশে আছি। এই ঝড় শহর ও নগরসমূহ প্লাবিত করেছে, অগণিত রাস্তা চলাচলের অযোগ্য করে তুলেছে, বিদ্যুৎ ও পানি পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে এবং সম্প্রদায়গুলোকে হতবাক করেছে। 
এএফপির সরকারি পরিসংখ্যানে, উত্তর ও দক্ষিণ ক্যারোলিনা, জর্জিয়া, ফ্লোরিডা, টেনেসি ও ভার্জিনিয়া জুড়ে ২১২ জন প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ঝড়ে সৃষ্ট বন্যায় প্রাণহানির মধ্যে উত্তর ক্যারোলিনায় অর্ধেকেরও বেশি। এক নজিরবিহীন বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। কেউ-কেউ একে পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক বলে বর্ণনা করেছেন।
২০০৫-পর থেকে মার্কিন মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানা সবচেয়ে মারাত্মক হারিকেন হেলেন। ক্যাটরিনায় ১ হাজার ৩৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ছয়টি রাজ্য জুড়ে সক্রিয়-কর্তব্যরত সৈন্যসহ শত-শত উদ্ধারকর্মী, কয়েক সহ ফেডারেল কর্মী, ন্যাশনাল গার্ড সদস্য ও স্থানীয় উদ্ধারকর্মীদের সহায়তাকারী একটি বিশাল দলের উদ্ধার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ধ্বংসাত্মক এই ঝড়ে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিচ্ছিন্ন পাহাড়ী অঞ্চলে অনেক বাসিন্দা এখনও হিসেবের বাইরে রয়েছে।
ট্র্যাজেডির কেন্দ্রস্থল উত্তর ক্যারোলিনার বুনকম্বে কাউন্টিতে, ৭০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।
পর্যটকদের কাছে প্রিয় ১ লাখ জনসংখ্যার নগর অ্যাশেভিলে, মনোরম পাহাড়ের পাদদেশে রাস্তাগুলো ঘন কাদায় আচ্ছাদিত হয়ে পড়েছে। নদী তীরবর্তী ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা ভেসে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat