ব্রেকিং নিউজ :
সরকার ক্ষমতায় এসে দ্রুতই নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান রাজধানীর কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলক অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা সরকারের : শিক্ষামন্ত্রী শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সরকার ৩ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ইউনিসেফের মাধ্যমে ইপিআই টিকা সংগ্রহ করবে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব নাহিদের জাটকা উৎপাদন বাড়াতে গবেষণায় বিজ্ঞানীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বাউল দর্শন বাংলার মানবিক ও প্রগতিশীল সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ : সংস্কৃতি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০২-২৬
  • ২৪৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বিদেশীদের কাছে না গিয়ে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের উচিত জনগণের কাছে যাওয়া : তথ্যমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক: – তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া এবং জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বিধায় তারা বারবার বিদেশীদের কাছে ধর্না দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘দেশের মালিক জনগণ। কিন্তু জনগণের প্রতি বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের কোন আস্থা নেই। তাই, তারা বার বার বিদেশীদের কাছে যাচ্ছে ও নিজেদের পাশাপাশি দেশকেও অপমাণ করছে।’ আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী এর আগে ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্টস ফোরামের সদস্যদের সাথে মত বিনিময় করেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের উচিত বিদেশীদের কাছে না গিয়ে জনগণের কাছে যাওয়া। কেননা, দেশের জনগণই দেশের মালিক। তিনি বলেন, বিদেশীদের কাছে গিয়ে তারা (বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট) তাদের দেউলিয়াত্বের পরিচয় দিচ্ছেন। ড. কামাল হোসেন ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত সোমবার ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কাছে গিয়েছিলেন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, তাদের দল যদি জনগণের জন্যই হয় তাহলে বিদেশীদের কাছে না গিয়ে, জনগণের কাছেই তাদের যাওয়া উচিত। ’ বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট-এর গণশুনানির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের জনগণ সামাজিক গণমাধ্যমে এটিকে ‘গণঘুম’ হিসাবেই দেখেছে। এই শুনানীর মাধ্যমে তারা সাধারণ জনগণের কাছে কোন আবেদন সৃষ্টি করতে পারেনি- উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি মনে করি, তাদের নেতাদের ভূমিকা জানার জন্যও তাদের গণশুনানির প্রয়োজন।’ সাবেক পরিবেশ ও বনমন্ত্রী এবং গ্রীন পিস মুভমেন্টের সাবেক সদস্য হাসান মাহমুদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের কোনো দায় নেই। ‘বাংলাদেশ কার্বণ নিঃসরণ হ্রাসের জন্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রায় ৫০ লাখ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট বসিয়েছে। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পথ প্রদর্শন করছে। এ কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে ‘ চ্যাম্পিয়ন অব আর্থ’ পুরস্কার অর্জন করেন। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ দেশ। প্যারিস চুক্তি কয়েকটি দেশের জন্য এখনো কার্যকর হয়নি। এ চুক্তি কার্যকর হলে বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশসমূহ লাভবান হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, সাংবাদিকরা জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে মুখ্য ভূমিকা পালন করছেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমি আশা করি সাংবাদিকরা সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যাতে সরকার এই ইস্যুতে আরো বেশি কাজ করতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের পরিবেশ আরো সুন্দর ও মনোরম হয়ে উঠবে যদি স্কুল কলেজ স্তরে আমরা পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা জাগিয়ে তুলতে পারি। আমাদের সচেতনতার অভাব রয়েছে । ফোরামের সভাপতি কাওসার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন ও যুগ্মসম্পাদক মাসুদুল হক অন্যান্যের মধ্যে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat