ব্রেকিং নিউজ :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ ‍মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন ডা. জুবাইদা ও জাইমা রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি জামায়াত আমিরের শ্রদ্ধা ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন-উর রশীদ সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে : রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। ছবি : সংগৃহীত বাঁশখালীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৭ ব্যবসায়ীকে জরিমানা চট্টগ্রামে ঝটিকা মিছিল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৪-২৬
  • ৩৬০৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।
আগামীকাল উপমহাদেশের বরেণ্য রাজনীতিবিদ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে এই মহান নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন উপমহাদেশের এক অনন্য সাধারণ প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ। তিনি ছিলেন অসাধারণ মেধাবী ও বাগ্মী। তিনি একাধারে বাংলা, ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় অনর্গল বক্তৃতা করতে পারতেন। দক্ষ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে প্রায় অর্ধ-শতাব্দীর অধিককাল তিনি গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য, সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি (১৯১৬-১৯২১), কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ও পূর্ব বাংলার গভর্নরের (১৯৫৬-১৯৫৮) পদসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।’ 
তিনি বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন গণমানুষের নেতা। তিনি কৃষক ও শ্রমিকদের স্বার্থে ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টি (কেপিপি) এবং ১৯৫৩ সালে শ্রমিক-কৃষক দল প্রতিষ্ঠা করেন। অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শেরে বাংলা এ অঞ্চলের মানুষের শিক্ষা, রাজনীতি, সমাজ সংস্কারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। 
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলার শোষিত ও নির্যাতিত কৃষক সমাজকে ঋণের বেড়াজাল থেকে মুক্তির লক্ষ্যে তাঁর উদ্যোগে গঠিত হয় ‘ঋণ সালিশি বোর্ড’। শেরে বাংলা কর্তৃক প্রণীত বঙ্গীয় চাকুরি নিয়োগবিধি, প্রজাস্বত্ব আইন, মহাজনি আইন, দোকান কর্মচারী আইনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের অবহেলিত কৃষক-শ্রমিক উপকৃত হন। এই বরেণ্য রাজনীতিবিদ ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। কৃষক-শ্রমিক তথা মেহনতি মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তাঁর অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। 
তিনি এ মহান নেতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat