ব্রেকিং নিউজ :
বাংলাদেশ আর আগের মতো চলবে না : আসাদুল হাবিব দুলু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট মুক্ত করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ইচ্ছা সরকারের: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ঘাটতি সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করছে সরকার : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নকলের পর এবার মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর অবস্থান ঘোষণা রমজানে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাড়লো সিএনজি স্টেশন বন্ধের সময় জনকল্যাণ ও দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় কাজ করতে হবে : পানি সম্পদ মন্ত্রী রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখার আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য মজুদ আছে : বাণিজ্যমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০২-২০
  • ৬৬৭৭৬৭৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বিতর্কিত সামরিক আইন বা ‘মার্শাল ল’ জারির মাধ্যমে ২০২৪ সালে জনজীবনে ভোগান্তি সৃষ্টির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োল। রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার একদিন পর শুক্রবার তিনি এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বৃহস্পতিবার সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ইউনকে দোষী সাব্যস্ত করে। রায়ে বলা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পার্লামেন্টকে অচল করে দিতে তিনি যে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তা ছিল রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।

সামরিক শাসন জারির চেষ্টার ফলে জনমনে যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছিল, তা স্বীকার করে নিয়েছেন ইউন। তবে তিনি দাবি করেছেন, এই পদক্ষেপ তিনি ‘সম্পূর্ণভাবে জাতির স্বার্থে’ নিয়েছিলেন। 

তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইউন বলেন, ‘দেশকে রক্ষার সংকল্প থাকা সত্ত্বেও আমার অদূরদর্শিতার কারণে জনগণের যে ভোগান্তি ও হতাশা হয়েছে, সেজন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি।’

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়কে ‘মেনে নেওয়া কঠিন’ বলে মন্তব্য করলেও ইউন উচ্চ আদালতে আপিল করবেন কি না, সে বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত দেননি। ৬৫ বছর বয়সী সাবেক এই প্রেসিডেন্ট কবে নাগাদ প্যারোলে মুক্তি পাবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে দেশটিতে সাধারণত যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিরা ২০ বছর সাজার পর প্যারোলের আবেদন করতে পারেন।

বিচারক জি গুই-ইয়ন তার রায়ে বলেন, ইউন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের কণ্ঠরোধ করতেই পার্লামেন্ট ভবনে সেনা পাঠিয়েছিলেন। ইউন চেয়েছিলেন দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের আইনসভাকে অচল করে দিতে।

২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর মধ্যরাতে টেলিভিশনে এক আকস্মিক ভাষণে ইউন সুক ইয়োল সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন। সে সময় তিনি উত্তর কোরিয়ার প্রভাব এবং তথাকথিত ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির’ দোহাই দিয়ে বেসামরিক সরকার স্থগিত করার কথা বলেছিলেন। তবে এর ছয় ঘণ্টা পরেই আইনপ্রণেতারা পার্লামেন্ট ভবনে জড়ো হয়ে জরুরি ভোটের মাধ্যমে সেই মার্শাল ল বাতিল করে দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat