ব্রেকিং নিউজ :
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট মুক্ত করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ইচ্ছা সরকারের: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ঘাটতি সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করছে সরকার : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নকলের পর এবার মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর অবস্থান ঘোষণা রমজানে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাড়লো সিএনজি স্টেশন বন্ধের সময় জনকল্যাণ ও দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় কাজ করতে হবে : পানি সম্পদ মন্ত্রী রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখার আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য মজুদ আছে : বাণিজ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৫-১১
  • ২৩৮১২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবেলায় জেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৭৪৬টি আশ্রয় কেন্দ্র। এছাড়াও মাঠে থাকবে ১৮ হাজার ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক। গঠন করা হয়েছে ৯৮টি মেডিকেল টিম। সাত উপজেলায় খোলা হচ্ছে মোট ৮টি কন্ট্রোল রুম। 
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী এ তথ্য জানান।
জেলা প্রশাসক জানান, ঘুর্ণিঝড় ‘মোখা’মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের প্রস্তুতি। ১৩ হাজার ৬০০ সিপিবি’র স্বেচ্ছাসেবক ও ৫ হাজার রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মী মাঠে থাকার জন্য রয়েছেন ।  জেলেদের নিরাপদে ফিরে আসার জন্য বলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৯০ ভাগ জেলে ঘাটে ফিরেছেন। 
এছাড়া মাঠের প্রায় ৯০ ভাগ পাকা ধান কর্তন সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে বাকিটা হয়ে যাবে।
তিনি আরো জানান, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ মেডিকেল টিম দুর্যোগের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জেলার প্রাণিসম্পদ রক্ষায় ২১টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। সকল ধরনের জরুরী পরিষেবা ২৪ ঘন্টা প্রস্তুত রয়েছে। আমাদের বাঁধগুলোর সুরক্ষায় পানি উন্নয়নবোর্ড কাজ করছে। আমরা সকলে একসাথে মিলে আসন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করে যাবো। জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান সর্বনি¤œ রাখা। 
ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ভোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৩৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রয়েছে। এসব বাঁধ বর্তমানে বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো ইতোমধ্যে মেরামত করা হয়েছে। তারপরও  যেসব বাঁধ ঝুকিপূর্ণ মনে হচ্ছে সেগুলোর কাজ চলমান রয়েছে। একইসাথে আমরা নদী তীরবর্তী এলাকার বাঁধগুলো সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। সবাই সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।
সভায় আরো বক্তব্য দেন, জেলা পুলিশ সুপার মো: সাইফুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান,  জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজীত কুমার, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: হাসান ওয়ারিসুল কবীর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মো: তৌহিদুল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মো: দেলোওয়ার হোসেন, জেলা ঘূণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির উপ-পরিচালক আব্দুর রশিদ, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম প্রমুখ। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat