ব্রেকিং নিউজ :
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট মুক্ত করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ইচ্ছা সরকারের: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী ঘাটতি সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করছে সরকার : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নকলের পর এবার মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর অবস্থান ঘোষণা রমজানে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাড়লো সিএনজি স্টেশন বন্ধের সময় জনকল্যাণ ও দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় কাজ করতে হবে : পানি সম্পদ মন্ত্রী রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখার আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য মজুদ আছে : বাণিজ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৫-১৩
  • ১২৩৭৫৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা সরবরাহের লক্ষে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছেন।
জাতিসংঘের মুখপাত্র শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন।
গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, মহাসচিব বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় ও মানবিক সহায়তা নিরাপদে সরবরাহের লক্ষে সুদানের যুদ্ধরত দলগুলোর ‘প্রতিশ্রুতির ঘোষণাকে’ স্বাগত জানিয়েছেন।
এছাড়া মহাসচিব অবিলম্বে অস্ত্রবিরতি এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে বিস্তৃত আলোচনারও আহ্বান জানিয়েছেন বলে মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন।
উল্লেখ্য, সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় প্রায় এক সপ্তাহের আলোচনা শেষে যুদ্ধরত সুদানী সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস বৃহস্পতিবার এ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে।
মুখপাত্র আরো বলেছেন, জাতিসংঘ এ ঘোষণা বাস্তবায়নে সহায়তা প্রচেষ্টায় কোন ছাড় দেবে না। এছাড়া অস্ত্রবিরতি হোক কিংবা না হোক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
সুদানে সেনা প্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল বুরহানের অনুগত বাহিনী এবং  জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো ওরফে হেমেদতির বাহিনীর মধ্যে গত ১৫ এপ্রিল থেকে সংঘাত চলছে। হামদান দাগালো সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
সংঘাত শুরুর পর থেকেই উভয়ে একাধিক অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছেন। কিন্ত অস্ত্রবিরতিকে কেউ কার্যকরভাবে গ্রহণ করেনি। অস্ত্রবিরতি লংঘনের জন্যে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করছে।
এদিকে সংঘাত শুরুর পর থেকে খার্তুমের ৫০ লাখ লোক দুর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে। আতঙ্কিত লোকজনকে খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে দিন কাটাতে হচ্ছে। এছাড়া তারা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলছে, তারা ৫০ হাজার লোককে খাদ্য সহায়তা দিতে পেরেছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা বলেছে, সুদান থেকে ইতোমধ্যে দুই লাখ লোক পালিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat