ব্রেকিং নিউজ :
এবারের নির্বাচন হারিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক অধিকার পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক সুযোগ: তারেক রহমান ভোট চোরদের ঠিকানা এখন দিল্লি: আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া পিরোজপুরে বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভা মেহেরপুরে বিএনপি’র নির্বাচনী সমাবেশ বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৪০ রাষ্ট্র পুনর্গঠনই বিএনপির প্রধান লক্ষ্য: তারেক রহমান নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের আলোচনার অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট ডিপি ওয়ার্ল্ড জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ‘সজাগ’ অ্যাপসহ ৫ অটোমেশন উদ্বোধন জনগণ পুরানো বন্দোবস্তের বস্তাপচা রাজনীতি আর ফিরিয়ে আনতে চায় না: ডা. শফিকুর রহমান মুসলিম বিশ্বকে শিক্ষায় আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৪-০৯
  • ৪৫১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
দলের টিকিট পেতে অনলাইনে ফলোয়ার বাড়াতে নির্দেশ মোদির
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:-  ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক সেরে বেরিয়ে মুখ ভার বিজেপির এক সাংসদের। ‘বুড়ো’ বয়সে কোথা থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিন লাখ ফলোয়ার জোগাড় করবেন।
ভোটের বাকি এক বছর। এখন মাঠে নেমে লড়াই করবেন, না দপ্তরে বসে টুইট-ফেসবুক করবেন! অথচ প্রধানমন্ত্রী হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুগামী সংখ্যার ওপরেও নির্ভর করবে পরের ভোটে টিকিট পাকা কি না। সম্প্রতি দলের সাংসদদের ডেকে এমনই নির্দেশ দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। গত লোকসভা ভোটের সময় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও যুদ্ধটা তিনিই শুরু করেছিলেন। চার বছর পরে সেই লড়াইয়ে নিজেই অনেক পিছিয়ে পড়েছেন। ভোটের আগে সাংসদদের যেমন গুঁতো দিচ্ছেন, তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের পুরনো দাপট ফিরে পেতে মরিয়া মোদি। সোমবার নিজেই টুইট করে জানান, সোশ্যাল মিডিয়ার ‘বন্ধু’দের সঙ্গে তিনি দেখা করতে চান। তবে শর্ত আছে। যারা কেন্দ্রের মুদ্রা প্রকল্পের সাফল্যের গল্প তাকে শোনাবেন, তাদের সঙ্গেই সাক্ষাৎ করবেন তিনি। শর্ত নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধীরা। তাদের বক্তব্য, সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না বলেই মোদি গত চার বছরে একবারও সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্নের মুখোমুখি হননি। সোশ্যাল মিডিয়ার ‘বন্ধু’রাও সমালোচনা করতে পারেন, এই আশঙ্কায় সেখানেও শর্ত চাপিয়েছেন। কংগ্রেস নেতারা বলছেন, ‘নিজের তৈরি করা সাম্রাজ্যে নিজেরই পতন দেখছেন প্রধানমন্ত্রী।’ তাদের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কংগ্রেসের সমর্থনে যে বিশিষ্টরা প্রচার করেন, সম্প্রতি দিল্লিতে দলের ওয়ার-রুমে তাদের সঙ্গে ঘণ্টা দুয়েক কথা বলেছেন রাহুল গান্ধী। ছবি তুলেছেন। মতের আদানপ্রদানও করেছেন। সেই পথই ধরতে চান মোদি। কিন্তু বিজেপির বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে থেকেই মোদি সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। সেখানে তার ফলোয়ার প্রায় ৪ কোটি। রাহুল গান্ধী তার ধারেকাছেও নেই। মাত্র ৬৫ লাখ ফলোয়ার তার। পাল্টা কংগ্রেসের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদির ফলোয়ার বেশি থাকতে পারে, কিন্তু রাহুলের টুইটই আজকাল বেশি ‘রি-টুইট’ হয়। এতে স্পষ্ট, জনপ্রিয়তা কার বেশি। বিজেপির তথ্য-প্রযুক্তি মোর্চার প্রধান অমিত মালব্যের দাবি, ‘ভুয়া অ্যাকাউন্ট দিয়ে রাহুল গান্ধীর টুইট রিটুইট করানো হয়।’ পাল্টা বিরোদীদের দাবি, মাত্র ক’দিন আগেই এক রিপোর্টে জানা গিয়েছে, মোদির অর্ধেক ফলোয়ারই ভুয়া। আর কংগ্রেসের তথ্যপ্রযুক্তি সেলের প্রধান দিব্যা স্পন্দনা বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় কংগ্রেস অনেক পরে সক্রিয় হয়েছে। সে দিক থেকে বিজেপি অনেকটা এগিয়ে ছিল। কিন্তু এখন কংগ্রেস আর পিছিয়ে নেই।’ সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat